| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নীল-দর্পণ
নগণ্য একজন মানুষ। পছন্দ করি গল্পের বই পড়তে, রান্না করতে। খুব ইচ্ছে করে ঘুরে বেড়াতে। ইচ্ছে আছে সারা বাংলাদেশ চষে বেড়ানোর।
এক বছরের বেশী হয়েছে প্ল্যান করছি মাগুরা যাবো যাবো করে। কিন্তু কোন না কোন কারনে তা পিছিয়েই যায় বার বার। ছোট কাকা থাকেন চাকরী সূত্রে সেখানে। কাকী যাওয়ার জন্যে বলে...
নুরু মিয়া গ্রামের সম্পদশালীদের মাঝে অন্যতম একজন। পৈতৃক সম্পত্তির পাশাপাশি নিজের কেনা সম্পত্তিও কম নয়। কিন্তু নেই কোন ওয়ারিশ। এসবই চোখ বুজলে খাবে শেয়াল-শকুনে। ভাই-ভাইপোরাতো হা করে আছে কবে মরবে...
একটা সময়ে সারাক্ষন ব্লগিং করাটাই ছিল নেশা, ধ্যান-জ্ঞান । বকা কম খাইনি এই ব্লগে পড়ে থাকার জন্যে। ভাইয়ার চোখকে ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করে চুরি করে করেও ব্লগে এসেছি । লেখালেখির...
এলাকার রাস্তা একদম ফাঁকা হয়ে গেছে। এখন ভীড় সব বাস-লঞ্চ টার্মিনাল এর রেল স্টেশন এ। হাজার হাজার মানুষব্যাগ-বোচকা হাতে কাঁধে ছুটে চলেছেন, যাদের সাথে বাচ্চা থাকেন তাদের কর্তার জন্যে আমার...
একটা সময় যা মনে আসতো তাই লিখে ফেলতাম সে সব পোষ্ট পড়লে এখন মনে হয় আমি লিখেছিলাম ওসব। তখন ভাবতাম মানুষের মত যদি সুন্দর সুন্দর গল্প লিখতে পারতাম! খুব আফসোস...
বরাবরের মতন আজো পরীক্ষার হল থেকে বের হবার আগে বৃষ্টি নামলো। একেবারে ঝুম বৃষ্টি যাকে বলে। হল থেকে বের হয়ে গেটের সামনে করিডোরে দাড়িয়ে আছে অহনা আর এ্যানী। দু'বান্ধবীর গলায়...
সেদিন কলেজ থেকে ফেরার সময় বাস থেকে নেমে হেটে বাসায় ফিরছিলাম। দেখি এলাকায় CP'র দোকান দিয়েছে। ভাবলাম ভালই ত এলাকায়-ই একটা ব্র্যান্ড। পরে আরেকদিন ফেরার পথে ভাবলাম আজকে কিছু নিয়ে...
আচ্ছা ধ্রুব এখন কি করছে, ফোন দিয়ে দেখবো...নাহ থাক। আমি-ই বা কী! গন্ডারের চামড়া! এত অপমান যে মানুষটা করলো তাকে নিয়েই এত ভাবনা! নাহ, দূর করতে হবে। কি আজব! ঘন্টার...
কোন কথা নয় কাজে লেগে পড়ি।
যা যা লাগবে:...
করলার নাম শুনলেই নাক কুঁচকায় এরকম মানুষ অহরহ পাওয়া যায়। কিন্তু যারা খায় তারা বুঝে যে এটা আসলে কি জিনিস! টেংরা, তেলাপিয়া কিংবা রুই মাছ দিয়ে অথবা বড় চাপিলা...
সকালে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি দেখে একটু শংকিত ছিলাম কলেজে যাওয়া হবে কিনা। কোন এক কারনে যাওয়া টা দরকার ছিলো। বান্ধবীকে ফোন দিয়ে নিশ্চিত হলাম যাওয়ার ব্যাপারে।
বাসা থেকে বের হওয়ার সময়ও...
*** দেখেছিস বাইরে কি বৃষ্টি হচ্ছে! একদম আষাঢ় মাসের বৃষ্টির মতন।
(এবার গলাটা একটু ভারী করে) এই আষাঢ়ের বৃষ্টিতে একটি আষাঢ়ে গল্প বল দেখি
...
ছুটির সকাল। ছেলে-মেয়ে ও তাদের বাবা আজ বাসায়। সবাই ঘুমাচ্ছে। স্কুলের চাকরীটি নেয়ার পর থেকে বয়স্ক একজন বাধা কাজের মহিলা থাকলেও রান্নার কাজটি কখনো তাকে দিয়ে করাই না, নিজেই করি।...
প্রতিদিনকার মত ক্লান্ত দেহে আজো বাসায় ফেরে ফারিহা। দেখে রুমমেটরা কেউ-ই এখনো ফেরেনি। সারাদিন শেষে সাবলেটের এই রুমটিতে যখন সবাই ফেরে তখন তা হাসি-ঠাট্টা আর কলকলিতে ভরে যায়। এখানে একমাত্র...
ভূমিকা: আমার গল্প পড়ে কমন একটি অভিযোগ থাকে আরেকটু বড় কেন হলোনা, গল্প আরেকটু বড় হতে পারতো...ইত্যাদি। তাই এবারের গল্পটা একটু বড় করে লিখলাম। পাঠক ধৈর্য্য হারা হয়ে গেলে লেখিকা...
©somewhere in net ltd.