নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর,কিন্তু বুদ্ধিমতি মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধি

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরী।পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি। এমনই আগডুম বাগডুমের পরিচয় পেতে হলে আমার ব্লগে আপনাদের আমন্ত্রণ থাকলো।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

সমন্বিতা (শেষ পর্ব)

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৩২



কাকাবাবুর শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের আরও সপ্তাহ দুয়েক পরে কোন এক ছুটির দিনের অলস বিকেলে আমি হাজির হই প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে ওনাদের বাড়িতে। কলিংবেলের আওয়াজ শুনে লগ্নজিতা বেরিয়ে আসে। আমি সরাসরি ভিতরে ঢুকতেই দেখি বৌদি লগ্নজিতার দ্বাদশী মেয়ে রোহিণীর সঙ্গে দাবা খেলায় মগ্ন। আমাকে দেখে বৌদি উঠতে চাইছিলেন কিন্তু রোহিণী মামিমায়ের হাত ধরে ঝাঁকাতে, বৌদি আবার বসে পড়লেন। লগ্নজিতাও ওদের খেলায় বিঘ্ন ঘটাতে রাজি হলো না। বৌদিকে উদ্দেশ্য করে বলেই ফেলল সে কথা,
-থাক থাক তুমি বরং মামের সঙ্গে খেলা করো। আমি নিখিলেশ দাকে অন্য ঘরে নিয়ে যাচ্ছি।
কথাগুলো বলার সময় দুই দাবাড়ুর সামনে আমিও লগ্নজিতার পাশে দাঁড়িয়ে রইলাম। লক্ষ্য করছিলাম ছোট্ট রোহিণীকে একেবারে পরীর মত লাগছে। এমন সময় রোহিনীকে উদ্দেশ্য করে,
-মাম মুখ তুলে দেখ একবার তোর নতুন আংকেল। ভালো-মন্দ জিজ্ঞেস কর মা।
রোহিণী কোনক্রমে মুখ তুলে একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে,
-আঙ্কেল ভালো আছো?
আমি মাথায় হাত দিয়ে আদর মাখা কন্ঠে বললাম,
-হ্যাঁ বাবা ভাল আছি। তুমি ভালো আছো তো?
ও এবার আর মুখ না তুলেই খেলার দিকে চোখ রেখে মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানালো। আমি লগ্নজিতাকে অনুসরণ করে পাশের ঘরের উদ্দেশ্যে পা বাড়ালাম। পুরানো আমলের বাড়ি। ঘরের ভিতরে জায়গায় জায়গায় ড্যাম ধরে আছে। লাল রংয়ের মেঝেও স্থানে স্থানে ফেটে চৌচির। জানালাগুলোও যথেষ্ট ছোট। রডগুলিতে সব মরচে ধরে আছে।জানালার পর্দাগুলিকেও অত্যন্ত মলিন লাগলো। আলো বাতাসের যথেষ্ট অভাব বলে মনে হলো। ক্ষয়িষ্ণু মধ্যবিত্তের নিদর্শন বাড়িটির প্রতিটি স্থান তার সাক্ষ্য বহন করছে। হায়রে! এই বাড়িতেই একসময় একটু প্রবেশের জন্য কতইনা হাপিত্যেশ করে থাকতাম। দূর থেকে অবাক পানে চেয়ে থাকতাম।এই বাড়ীর সামান্য একটা ঘাস, লতাপাতাও ছিল সে সময়ে আমার দুর্বার আকর্ষণের বিষয়। যদিও বর্তমানে বাইরের নানান গাছগাছালির সুশীতল ছায়া, মায়া-মমতায় এখনো যথেষ্ট আকর্ষণীয় লাগলেও বাড়ির ভিতরের পরিবেশটি মুহূর্তে আমার ভালো লাগার অনুভুতিকে বিষাদময় করে তুললো।

লগ্নজিতার আঙ্গুলের ইশারাতে খাটের পাশে স্থাপিত একটা কাঠের চেয়ারে বসে পড়লাম। আমার কথা জিজ্ঞাসা করতেই, আমি অতি সংক্ষেপে আমার বর্তমান জীবনকাল ওকে বর্ননা করলাম। এবার ওর কথা জিজ্ঞাসা করতেই, মুখে কিছু না বলে ঘরের মধ্যে কিছু একটা খুঁজতে লাগলো। এক কর্নারে ডাই করে কিছু বইপত্র রাখা আছে। সেখান থেকে একটি প্যাকেটের ভেতর থেকে কালো একটি জিনিস বার করতেই সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যেই সনাক্ত করলাম শৈশবের সেই স্মৃতিবিজড়িত শ্লেটটি। আমি বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলাম ওর দিকে। মনের অজান্তেই মুখের হাসিটি চওড়া হয়ে গেল। আজ এত বছর পরেও শ্লেটটি এখনো অক্ষত ভাবে গুছিয়ে রেখেছে দেখে। হাসতে হাসতে এবার আমাকে জিজ্ঞাসা করল,
-মনে আছে নিখিলেশ দা শ্লেটটির কথা?
-মনে আছে মানে? আলবাত মনে আছে। স্মৃতিতে এতোটুকুও মলিন হয়নি। সমগ্র দৃশ্যটি এখন চোখের সামনে ভেসে উঠলো। তুই কি ভয় পেয়েছিলি সেদিন। পাগলি মেয়ে! তুই তাহলে এত বছরে এতোটুকুও বদলাসনি দেখছি।
আমি বিমোহিত হয়ে শ্লেটটি নিয়ে উল্টেপাল্টে দেখতে লাগলাম। মুখে বললাম,
- তুই শ্লেটটি এখনো গুছিয়ে রেখেছিস ?
-হ্যাঁরে নিখিলেশ দা।তোর সঙ্গে শৈশবের ওই দিন গুলোতে যে মনের দেওয়া-নেওয়া হয়ছিল সেটা যে প্রেম তা একটু বড় হয়ে বুঝেছিলাম।তাইতো কত করে তোকে চেয়েছিলাম। মনে মনে ভাবতাম তুই আমার স্বামী। এ জীবনে অন্য কাউকে ওই আসনে বসাতে পারব না। আর এজন্য কতবার চেষ্টা করেছি মনের কথা তোকে জানাতে। কিন্তু তুই কিছুতেই আমাকে ধরা দিস নি। শুধু তোকে একবার দেখার জন্য সারা দিন বাইরে কাটাতাম। রাস্তার দিকে চেয়ে থাকতাম।মাঝে মাঝে দেখতাম তুই সামনে দিয়ে চলে যেতিস। কত ব্যস্ত মানুষ ছিলিস তুই! একবারও আমার দিকে ফিরেও তাকাসনি। তবে আমার দিকে না তাকানো একটা সুবিধা অবশ্য হয়েছিল আমার। ক্লাস নাইনে পড়ার সময় বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে একটু বেশি সময় দেওয়াতে মা প্রায়ই খোটা দিত সারাক্ষণ কেবল বাইরে থাকি,কে এমন বাইরে আছে যে ঘরের মধ্যে মন বসেনা বলে। তোর যাওয়া আসার দিকে মায়ের একটু বিশেষ লক্ষ্য ছিল। তুই একদিনও আমার সঙ্গে সামনাসামনি কথা না বলাতে মায়ের সন্দেহ আরো গাঢ় হয়।মা আমার কয়েকজন বন্ধুকে তোর বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছিল। বন্ধুদের মাধ্যমে সে কথা পরে আমার কানে আসে। মায়ের আচরণে আমার হাসি পেয়েছিল ঠিকই কিন্তু আমি ভীষণ কেঁদেছিলাম রাতের পর রাত তোকে কোনভাবেই ধরতে না পেরে। শুধু অপেক্ষায় ছিলাম একটিবার মুখ তুলে তুই আমার দিকে দেখবি। শুধু একটি কথা তোর মুখ থেকে শোনার জন্য আমি প্রায় পাগল হয়ে উঠেছিলাম।

তুই আমার কোন অনুভূতিই বুঝতে পারিস না নিখিলেশ দা। তুই একটা হাদা। তোকে তাতানোর জন্যে তোর সামনে কত ছেলের সঙ্গে আড্ডা মেরেছি। কতজনের সাইকেলে চড়েছি। তোর একদিনের জন্যেও কি রাগ হয়নি আমার উপরে? একবারের জন্যও তুই মুখ ফুটে বলতে পারিস নি আমার সামনে এসে। কিসের এত অহংকার তোর? পাড়ার ছেলেদের সাইকেলে চড়ার উদ্দেশ্য ছিল মাকে কনফিউজ করে দেওয়া।কিন্তু মা অন্য কাউকে সন্দেহ করেনি। সারাক্ষণ পড়েছিল তোকে নিয়ে । যে জন্যে আগবাড়িয়ে আমার পক্ষে কিছু করা সম্ভব ছিল না। অথচ আমি এটাই জানতাম তুই আমাকে ভালোবাসিস। মা আমার পিছনে গোয়েন্দার মতো লেগে ছিলো। উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট খারাপের কারণ ছিলিস তুই। কিছুই তো পড়তাম না, সারাক্ষণ কেবল তোর কথাই মনে পড়তো। চোখের সামনে ভেসে উঠতো শৈশবের সেই দিনগুলি। সত্যি কথা বলতে কি ভালো রেজাল্ট করে কলকাতায় পড়ার ইচ্ছা আমার ছিল না। রেজাল্ট খারাপ হওয়াতে মা রাগ করে বাবাকে বিয়ের সম্বন্ধ দেখতে বললে আমি আর না করিনি। আমি আর পারছিলাম না যেন চাপ নিতে। যদিও ওটা ছিল মায়ের মুখের কথা। মা রাগতস্বরে বলেও ছিল সে কথা।
-বিয়ে বললেই বিয়ে! ওসব হবে না। ঠিক সময়েই ওসবের ব্যবস্থা করা হবে।
আমিও মায়ের মুখের উপরে বলি,
-আমাকে নিয়ে তোমরা গিনিপিগের মতো যতটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করো না কেন তাতে আমার বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই।
বাবা পাশে বসে মুখ টিপে টিপে হাসলে,
-তোমার আশকারাতে মেয়েটার বার বেড়েছে।
বাবা অবশ্য মায়ের কথা মুখ বুঁজে মেনে নিয়েছিলেন।


দাদা কলকাতার সিটি ও বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে আমার জন্য ফ্রম তুলেছিল। কিন্তু আমি সরাসরি না করে দিয়েছিলাম; কলকাতায় পড়বো না বলে। এত খারাপ রেজাল্টে যে হীনম্মন্যতায় ভুগতে হবে সে কথা বিলক্ষণ জানতাম। একইসঙ্গে যেহেতু আমার পড়াশোনার মান নিম্নগামী। ফলে নতুন করে আহামরি রেজাল্ট করাও আমার পক্ষে সম্ভব ছিলনা। বাবা বরাবরই নির্বিরোধ প্রকৃতির মানুষ।আমার কাজ ও কথার জন্য বাবা কখনো আমাকে বকাবকি করেননি। পাশাপাশি আমার উপর মায়ের চাপকে বাবা কখনোই পছন্দ করতেন না। আকারে-ইঙ্গিতে সে মনোভাব বুঝিয়ে দিতেন। কিন্তু মায়ের মুখের উপরে কিছু বলতে তেমন সাহস পেতেন না।

যাই হোক অবশেষে নিজের পছন্দ অনুযায়ী শুধুমাত্র তোর জন্যই তোর কলেজে ভর্তি হই। কিন্তু এখানেও আমার মনোবাসনা পূর্ণ হয়নি। দিনের পর দিন কত ক্লাস না করে তোর রুটিন টুকে তোর অফ পিরিয়ডে করিডোরে দাঁড়িয়ে থেকেছি তার কোন হিসেব নেই। প্রথম বর্ষে পর্যাপ্ত সংখ্যক উপস্থিতি না থাকায় নন কলেজিয়েট হিসেবে নোটিশ বোর্ডে নাম উঠলো। ভয় পেয়ে গেলাম,কলেজে যাই অথচ নন কলেজিয়েট; মা জানলে একেবারে শেষ করে ফেলবে। দ্বিতীয় বর্ষে যে কারণে বেশি বেশি করে ক্লাস করতে লাগলাম। তোর অবশ্য কোন পরিবর্তন চোখে পড়লো না। এসময়ে রঞ্জনের সম্বন্ধটা আসে। প্রথমে বেশ কিছুদিন মনমরা ছিলাম। অতদূরে মেয়ের বিয়ে দেওয়া ঠিক হচ্ছে কিনা বাবার পরামর্শে মা একদিন সরাসরি আমার মতামত জানতে চেয়েছিলেন। আমিও পাল্টা জিজ্ঞেস করেছিলাম,
-আমার মত জানতে চাওয়া হচ্ছে কি জন্য? ওসব না করে তোমরা বরং হাত-পা বেঁধে আমাকে যেখানে পারো ফেলে দাও। আমি মুখ বুঁজে মেনে নেব।
মায়ের প্রতিক্রিয়া ছিল,
-দেখেছো! পোড়ামুখীর কথা দেখেছো?
দাদা তখন সরাসরি আমাকে জিজ্ঞাসা করে,
-তোর যদি কাউকে ভালো লাগে নির্ভয় বলতে পারিস মনা।
তোর নাম করতেই, মা বলে ওঠে,
-জানতাম পোড়ামুখোটার কিছু একটা আছে ওই বাঁদর ছোকরাটার সঙ্গে।
এই প্রথম দেখলাম বাবা ধমক দিয়ে বলে উঠলেন,
-আহা থামবে! তুমি কি মেয়েটার সঙ্গে একটু মিষ্টি করে কথা বলতে পারো না?
বাবা এবার আমার মাথায়-পিঠে হাত বোলাতে বোলাতে বলতে থাকেন,
-মারে! নিখিলেশ যে এখনও বেকার মা। আর এই সম্বন্ধটা এতো ভালো। তুই বরং একটু ভেবে দেখ রে মা।
পরক্ষনেই বাবা আবার বলে ওঠেন,
-ঠিক আছে আমি না হয় নিখিলেশের বাড়িতে যাবো, ওর বাবার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে।
কিন্তু মা প্রচন্ড দাপাদাপি করতে থাকেন। দাদাও এমন সময় জানিয়েছিল যে সিদ্ধান্তটি বড্ড ভুল হচ্ছে বাবা।
আমি আর উপায়ন্তর না পেয়ে বাবাকে নিরস্ত করি। তখন থেকে মনে মনে চাইছিলাম দূরে কোথাও চলে যাব যেন পরিচিত কারোর মুখ আর কখনো না দেখতে হয়।

তবুও তোকে মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারিনি নিখিলেশ দা। রঞ্জনকে জানিয়েছিলাম তোর কথা। ও মেনে নিয়ে ছিল আমার মনোজগতের কথা। আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলতো,এক জীবনে হাজারো স্বপ্ন এমন অধরা থেকে যায়। তাদের ভেবে মনে কষ্ট না করে বরং সামনের দিকে তাকানোই ভালো।আমি ওর মধ্যে প্রকৃত বন্ধু খুঁজে পেয়েছিলাম। পেয়েছিলাম নিরাপত্তাও। কিন্তু মনের শূন্যতা যেন রয়েই গেছিল। তবুও তো জীবনের চাওয়া পাওয়া গুলোকে দমন করে চলছিলাম। কিন্তু রঞ্জন অ্যাক্সিডেন্টে চলে যাওয়ার পর মনের শূন্যতা আরো গভীর হয়। জীবনে চলার যাবতীয় রশদ যেন হারিয়ে ফেললাম। ছোট্ট মেয়েটার কাছেও নিজেকে লুকাতে পারিনি। রোহিণী প্রায়ই জিজ্ঞেস করত, মা তোমার কি হয়েছে। আমি চুপ করে থাকতাম, পারিনিকো কোন উত্তর দিতে। ও ওর মত একরকম ভাবতো, আর কাঁদো কাঁদো গলায় বলতো, মা আমারও বাবার কথা মনে পড়ছে। আমি সস্নেহে কাছে টেনে নিতেই ও মুখ লুকাতো কোলের মধ্যে। কথাগুলো বলতে বলতে লগ্নজিতা বারেবারে রোহিণীর দিকে তাকাচ্ছিল।

শেষের দিকে কথা বলতে বলতে লগ্নজিতা বরংবার শাড়ির আঁচল দিয়ে চোখ মুছতে লাগলো। গলা আর্দ্র হয়ে আসায় কথা বলতে রীতিমতো সমস্যা হচ্ছিল। বেশ কয়েকবার গলাখাকারি দিয়ে গলা পরিষ্কারও করে নিল। কিন্তু একটা সময় যাবতীয় প্রচেষ্টা আবেগের কাছে হার মানলো। চোখেমুখে আঁচল চাপা দিয়ে চুপচাপ বসে রইলো। আমি পড়লাম বেশ সমস্যায়। বার দুয়েক তাকে সান্ত্বনা দিতে দক্ষিণ হস্ত প্রসারিত করেও টেনে নিলাম। মনের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব চলে এলো। ঠিকই তো, এখন তো আর সে সেদিনের ছোট্ট বাচ্চা মেয়েটি নেই। এদিক-ওদিক ফালুক-ফুলুক করতেই চোখাচোখি হলো দূরে রোহিণীর সঙ্গে। পাশে মামিমাও তাকিয়ে আছেন আমাদের দিকে। মায়ের অস্বাভাবিকত্ব লক্ষ্য করে খেলা বন্ধ রেখে এক-পা দু-পা করে এগিয়ে এলো মায়ের কাছে।আমি মুখ নিচু করে ওর আগমন অনুধাবন করতে লাগলাম। মায়ের মুখের কাছে মুখ নিচু করে জিজ্ঞাসা করল,
-মাম্মি তুমি আবার কাঁদছো?
লগ্নজিতা কোন উত্তর দিল না। পরিবেশটা অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হয়ে উঠলো। আমিও আবেগ তাড়িত হয়ে ঘন ঘন দীর্ঘশ্বাস ফেলতে লাগলাম। মায়ের কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে, রোহিণী রীতিমত ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বলতে লাগলো,
-প্লিজ মাম্মি আর কেঁদোনা। তোমার কান্না আমি সহ্য করতে পারছিনা... প্লিজ মাম্মি প্লিজ।
আমি ছোট্ট রোহিণীকে সস্নেহে আদর করে হাত ধরে কাছে টানার চেষ্টা করলেও ও আমার ডাকে সাড়া না দিয়ে মায়ের কোলেই মুখ লুকালো। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে তখনো সমানে বলে চলেছে,
- মাম্মি আমারও বাবার কথা প্রচন্ড মনে পড়ছে।


............... সমাপ্ত............


বিশেষ দ্রষ্টব্য: উপরের ছবিটি আমার ছাত্র শ্রীমান সুজিত কুমার দাসের আঁকা।


মন্তব্য ৬২ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৬২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৪৩

রাকু হাসান বলেছেন:


তোমার ব্লগে আসছিলাম ব্লগারদের মন্তব্য পড়তে । এসেই দেখি আজও নতুন পোস্ট দিলে । প্রথম মন্তব্য করতে যাচ্ছি মনে হয় । :)

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হাহাহাহা... আজও তোমাকে প্রথমে পেয়ে আপ্লুত আমি। তবে এত রাতে চা জলখাবার কিছুই হবেনা। স্টম্যাকের পক্ষে সেটি মঙ্গল জনক নয়। সকালে আবার দেখা হবে। শুভ রাত্রি।

২| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৫৬

রাকু হাসান বলেছেন:

তিনপর্বের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বটা বেশি ভালো লেগেছে আমার ।এমনটা হয়েই থাকে আমাদের মাঝে । তবে এই পর্বে রোহিণীর বোধক্ষমতা মুগ্ধ করলো । মিলিয়ে দেওয়ার মুহূর্তটা দারুণ। রোহিণী খুব একটা সময় ধরে গল্পে ছিল না । কিন্তু অল্প সময়েই মন জয় করে নিয়েছে।শেষটাই সবচেয়ে ভালো হয়েছে ।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ছোট্ট রাকু,

আমি না বেশি রাত জাগতে পারিনা। গতকাল পোস্টটি দিতে দিতে যেটুকু রাত হয়েছে তাতেই আমার অবস্থা কাহিল। আজ ছুটির দিন হলেও প্রচুর কাজ সকাল থেকেই সংসারের কাজে ব্যস্ত। সঙ্গে বিরক্তিকর বৃষ্টি। সন্ধ্যাবেলা আবার একটা নেমন্তন্ন বাড়ি যাওয়ার আছে। ইচ্ছে আছে তার আগে প্রতিমন্তব্যগুলো সব সমাধা করার।
পোস্ট সম্পর্কে, পর্ব প্রথম দুটি ভালো লাগাতে শেষেরটা অনুজ্জ্বল লাগলো। এভাবে না দেখে পর্ব তিনটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ গল্প হিসেবে ভাবলে দেখবে মূল্যায়ন করতে সুবিধা হবে। একটা গল্পের প্রত্যেকটা পর্ব সমান গতিশীল হয় না। সেখানে কিছু ধীরলয়ে যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে কিছুটা মেদ যুক্ত। আবার থাকবে কিছুটা চঞ্চলতা। ঠিক যেমন একজন মানুষের জীবনের ন্যায়। কখনো গতিশীল কখনো বা ধীর-স্থির পথচলা।
রোহিণীকে নিয়ে ম্যানুস্ক্রিপ্ট আমার পছন্দ হয়নি। অনেক রাত হওয়ায় যেমন তেমন করে শেষ করেছিলাম। বিষয়টা আমার ভাবনায় ছিল। এখন অন্য এক রকম করেছি। সেটাও পছন্দ হচ্ছে না। রোহিণী আমাকে চিন্তায় ফেলেছে।

পোস্টে লাইক করে ভাইয়াকে অনুপ্রাণিত করার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।

শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবে।

৩| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:০১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: জীবন লিপি।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:০৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হাহাহা জীবন লিপি তো বটেই। চড়াই-উৎরাই পথে জীবনের প্রতিপাদ্য।

পোস্টে লাইক করাতে অনুপ্রাণিত হলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভেচ্ছা নিয়েন প্রিয় ঠাকুরমাহমুদ ভাই।

৪| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:২৩

আরোগ্য বলেছেন: সর্বনাশ!
আজকে তিন নম্বর জায়গাটাও পেলাম না।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হাহাহাহাহা সর্বনাশের কোন কারণ দেখিনা।
তিনের জায়গায় সামান্য পিছিয়ে 4 নম্বর গেছ। এটাও মন্দ নয়। আমিও তোমাদের কোন কোন পোস্টে এতটা আগে আসতে না পেরে যারপরনাই ব্যথিত হই। ধন্যবাদ জানবে।
যাই তোমার পরবর্তী কমেন্টে।

৫| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:৪৮

আরোগ্য বলেছেন: প্রিয় ভাইটি,

খুবই সুন্দর ও সাবলীলভাবে তুমি এই আবেগঘন পর্বটি শেষ করলে। আমার এই ধরনের প্রেম কাহিনি ভালো লাগে যেখানে রস কম কিন্তু আবেগের ঘনত্ব গভীর। আসলে এটাই বাস্তব, জীবনে কখন যে কার সাথে জীবন জুড়ে যায় তা আসলেই রহস্যময়।

রোহিনির শেষ মুহূর্তটা আমার কাছে একটু ফিল্মি লাগলো। নিখিলেশ ও লগ্নজিতা পরিবারের মঙ্গল কামনা করছি।

তবে বহুদিন পর একটা ভালো গল্প পড়লাম, মরীচিকার কথা আলাদা।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আরোগ্য,

অস্বীকার করবো না যে তোমার কম্প্লেমেন্ট আমাকে অন্যভাবে ভাবতে বাধ্য করে। শেষ পর্বটি মোটামুটি ভালো লাগাতে এবং আনন্দঘন মনে হওয়াতে খুশি হলাম। ধন্যবাদ তোমাকে। কখনো কখনো প্রেমে আবেগ থাকে। কখনো থাকে ড্রামাটিক ইমেজ। সেটা আবার স্থান-কাল-পাত্রের উপর নির্ভর করে। একান্ত নিভৃতে যে কথাটা আমাদের সুপ্ত মনকে জাগ্রত করে, একই কথা আবার জনসমক্ষে বিরক্তির কারণ হয়। সুতরাং কাহিনীর বিন্যাসে স্থান নির্বাচনটি অত্যন্ত জরুরি।
মন্তব্যের একেবারে শেষ পর্যায়ে রোহিণী সম্পর্কে তুমি সঠিক কথাই বলেছ। এই জায়গাটা আমি এখনো পর্যন্ত খুশি হতে পারেনি। গতরাতে একরকম ফিনিশিং করেছিলাম। এখন সামান্য রদবদল করেছি। সময় থাকলে একবার দেখে নিতে পারো।
গল্পটি সার্বিকভাবে তোমার ভালো লাগাতে ও পোস্টে লাইক দেওয়াতে প্রেরণা পেলাম ; কৃতজ্ঞতা জানবে।

শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।

৬| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৩২

বলেছেন: যাপিত জীবনের কড়চা।।।।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হাহাহাহা তা যা বলেছেন।
বুঝতেই পারছি ছুটির দিনে আপনার ব্যস্ততা তুঙ্গে।
পোস্টটি লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা রইলো।
শুভকামনা জানবেন।

৭| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৩৭

ইসিয়াক বলেছেন: অনেক অনেক ভালো লেগেছে।
গল্পটা কি সত্যি ?
যা হোক ।ভালো থাকবেন। এখনো ঘুম ভাঙেনি তাহলে। চা যে জুড়িয়ে গেল। ...........।
শুভসকাল ।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: গল্প ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা গুলি পরিবেশিত হয় পোস্ট কারে। লেখকরা তার সঙ্গে একটু মাধুরী মিশিয়ে দেয়। আপনি যখন কমেন্ট করেছেন তখন আমি একটি কাজে বাইরে গেছিলাম; বৃষ্টিতে আটকে ছিলাম। তবে চা খেয়েছি অনেক দেরিতে । কাজেই আপনার অনুমান সঠিক। হাহাহা...

৮| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:১৯

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: সমাপ্তিতে মিলন হয়েছে দেখে ভালো লাগলো। আমার একটা ঘটনা শেয়ার করলাম (Click This Link)।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ দাদা আপনার লিংক দেওয়া পোস্টে গেলাম। পড়েছি, খুব সুন্দর লিখেছেন। কিন্তু ওখানে কমেন্ট করতে একটু সমস্যা হচ্ছে। বারে বারে অফলাইন হয়ে যাচ্ছে।
সমাপ্তিতে আপনার ভালো লাগাতে আনন্দ পেলাম ধন্যবাদ জানবেন।
পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম।কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভেচ্ছা নিয়েন।

৯| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৩১

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: আরও একটা লেখা (Click This Link)।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: এইমাত্র আপনার এই পোস্টটিও পড়ে এলাম।
বেশ ভালো লিখেছেন দাদা। লিংকটি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু লিংকটিতে আমার কমেন্ট করতে একটু অসুবিধা হচ্ছে।

শুভকামনা জানবেন।

১০| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:২৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এক টানে পড়ে ফেললাম
খুবই ভালো লাগল গল্প

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ আপু। মন্তব্যটি ছোট্ট হলেও প্রেরণাদায়ক।

পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

১১| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:১৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর ।+

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যে ধন্যবাদ কবির ভাই।

পোস্টটিকে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম । কৃতজ্ঞতা জানবেন।

অফুরান শুভেচ্ছা রইল।

১২| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৫

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: মেক্সিমাম ছেলেমেয়েদের মাধ্যমিকের রেজাল্ট খারাপের কারণ থাকে প্রেম, ভালোলাগা, ভালোবাসা সংক্রান্ত। কি একটা অস্থির সময় কাটে তখন।

গল্পের শেষটা ভালো লেগেছে।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: খুব ভালো উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন প্রিয় জুনায়েদ ভাই। ধন্যবাদ আপনাকে।আসলে বয়সন্ধির সময়টি প্রত্যেকের জীবনে ঝড়ঝঞ্জার টাইম। বাবা-মাকে অত্যন্ত সতর্কভাবে এই সময়টা হ্যান্ডলিং করতে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সন্তানের সঙ্গে বাবা-মায়ের দূরত্ব সন্তানকে বিপথে চালিত করে, যার মধ্যে পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হওয়াটাও অন্যতম আরকি।
গল্পের শেষ অংশটি ভালো লাগাতে ও পোস্টটিতে like' করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো ।

১৩| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: দাদা, ঢাকায় কড়া রোদ।
সন্ধায় দাওয়াত কোথায়? কিসের দাওয়াত??

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ গত কয়েকদিন আগে শায়মাপুও বলছিলেন ঢাকাতে বৃষ্টিটা যথেষ্ট কম। কিন্তু আমাদের এখানে এখন যথেষ্ট বৃষ্টি হচ্ছে। হাওয়া অফিসের খবর অনুযায়ী সপ্তাহ জুড়ে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা আছে।
আর হাহাহা... দাওয়াত বলতে আমার মিসেসের এক সহকর্মীর গৃহপ্রবেশের দাওয়াত। এই মুহূর্তে আমরা সেখানেই আছি। একটু পরেই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিব।

অনেক শুভকামনা প্রিয় ছোট ভাইকে।

১৪| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
গল্পে গল্পে কাটলো বেলা। +++++++

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে দেখে ভালো লাগলো মাইদুল ভাই। আশা করি কুশলে আছেন।
গল্পে গল্পে কাটলো বেলা ও এতগুলো প্লাসে আনন্দ পেলাম ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভকামনা জানবেন।

১৫| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৪

আরোগ্য বলেছেন: প্রতিমন্তব্যে আবার আসা। রোহিণীর শেষ অংশটুকু আমি আবারও পড়লাম। রাকু ভাইয়ের মন্তব্যের উত্তরে তুমি যা বলেছ তা আমারও মত। এ দিকটা তোমার আরেকটু বিবেচনা করে দেখতে হবে। নিজের মায়ের সাথে অন্য একজনকে দেখা একটা দ্বাদশী মেয়ের জন্য কিন্তু এতোটা সহজ নয় যেহেতু এটা উঠতি বয়স। সঙ্গির প্রয়োজন বুঝলেই নিঃসঙ্গ জীবনের বেদনা বুঝা যায়। রোহিণীর যে বয়স তাতে ও পিতৃস্নেহের অভাব বুঝবে কিন্তু মায়ের যাতনা মনে হয় না বুঝবে। এই গল্পটি যেহেতু তিন পর্বের তাই পরবর্তীতে আরও নতুন ব্লগাররাও পড়তে আসবে। তুমি সময় নিয়ে শেষ অংশটি ভেবে দেখতেে পারো, যেহেতু রোহিণীর চরিত্রটি তাৎপর্যপূর্ণ করতে চাচ্ছো।

বলেছিলাম আমি আরবী ভাষা শিক্ষা কোর্সে ভর্তি হয়েছি। ভেবেছিলাম তিন বছর পর আবার প্রথম ক্লাস করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো তোমার সাথে। কিন্তু তড়িঘড়ি করে যেয়ে বেঞ্চে বসতেই শুনে ক্লাস ক্যানসেল। X(

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৩২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আরোগ্য,

আবার মন্তব্যে আসাতে আনন্দ পেলাম। ধন্যবাদ তোমাকে। কালকে রাতে রোহিনী আগের ফর্মটি দিয়ে আমার নিজেরই ভালো লাগেনি, বিষয়টি মাথায় ছিল। তুমি আর রাকু বলাতে অন্যরকম করে দিলাম। মুখে 'মাম্মিটা' বসিয়ে ও 12 বছরের বয়স দিয়ে তাকে আরও অনুভূতিপ্রবণ করার চেষ্টা করেছি। তোমার সুন্দর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জানাই, বাবার অনুপস্থিতে যেখানে মা সারাক্ষণ মনমরা হয়ে থাকে সেখানে অনুভূতিশীল মেয়ে মায়ের পুরনো বন্ধুকে নিরাপদ আশ্রয় ভাবতেই পারে। যদিও কোন অবস্থায় এরকম সম্পর্ক সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়। সেক্ষেত্রে রোহিণীর বয়স কম দেওয়াটা যেমন নিরাপদ নয় ,বেশি দেওয়াটাও যথেষ্ট বিপদজনক।
তোমার নতুন কোর্সে ভর্তির খবরটি পেয়ে পুলকিত হলাম। আজকের ক্লাসটি ক্যান্সেল হলেও পরবর্তী ক্লাসগুলো যথাযথ হবে বলে আশা রাখি। নতুন লক্ষে সাফল্য পাও -কামনা করি।

শুভকামনা জানবে।

১৬| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১৪

রাকু হাসান বলেছেন:


প্রতি মন্তব্যে আবার আসলাম ভাইয়া । :)
পর্ব প্রথম দুটি ভালো লাগাতে শেষেরটা অনুজ্জ্বল লাগলো। এভাবে না দেখে পর্ব তিনটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ গল্প হিসেবে ভাবলে দেখবে মূল্যায়ন করতে সুবিধা হবে। একটা গল্পের প্রত্যেকটা পর্ব সমান গতিশীল হয় না। সেখানে কিছু ধীরলয়ে যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে কিছুটা মেদ যুক্ত। আবার থাকবে কিছুটা চঞ্চলতা। ঠিক যেমন একজন মানুষের জীবনের ন্যায়। কখনো গতিশীল কখনো বা ধীর-স্থির পথচলা। ---সুন্দর বলেছ । আমি একমত তোমার সাথে । হয়তো গল্পের নিয়মই এটা । সব গুলো পর্ব/অনুচ্ছেদ যে এক রকম হবে ,সেটা আশা আমি আশা করি না । আমি ইতিবাচক অর্থে তুলনা করতে গিয়ে বলেছিলাম । এতে করে লেখক পাঠকের আরও কাছে আসতে পারে বলে বিশ্বাস । তাই।বুঝতে পারে ,পাঠক কি ভাবছে । অবশ্যই সব গল্পকারের জন্য এটা প্রয়োজন । তোমার এই গল্পের শেষটায় চমক ছিল।বলতেই হবে নাটকীয়তা আছে । সেটাই গল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য তুমি জান । তাই রোহিণী চরিত্রটি এই দিক থেকে অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার । হতে পারে এটা একটা গল্পকারের খেল । :)
আমার প্রতি মন্তব্যে তুমি বলেছ ।

রোহিণীকে নিয়ে ম্যানুস্ক্রিপ্ট আমার পছন্দ হয়নি। অনেক রাত হওয়ায় যেমন তেমন করে শেষ করেছিলাম।
ভাই আরোগ্যও সেই কথার সম্মতি দিল । আমিও বলি তুমি যদি আমাদের আরও মুগ্ধ করতে চাও ,করতে পারো । তবে এটা যে ভালো হয়নি ,বিরোক্ত হয়েছি তা বলবো না । কল্পনাতেও আসেনি । এখনকার ১২ বছর বয়স । কম নয় । বর্তমান সময়েই হিসাবে চলে । কেননা এখনকার ছেলে মেয়েরা অবশ্যই এগিয়ে আগেকার ছেলে মেয়েদের সাথে । সে দিক থেকে বলা যায় সুন্দর শেষ । তবে ভালোর তো শেষ নেই। এটা তোমার উপরই ছেড়ে দিলাম । তবে এখানে উপরে আরোগ্য ভাই যে মতামত রেখেছে উক্ত পয়েন্ট সেটাও যৌক্তিক । চরিত্রটি তাৎপর্যপূর্ণ করতে চাইলে করতে পারো । এটাও আমার কথা । শুভকামনা শ্রদ্ধেয় ভাই।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:০১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ছোট ভাই রাকু,

তোমার এই আবেগময় মন্তব্যগুলি বললে আমার ভীষণ ভালো লাগে। ধন্যবাদ তোমাকে। গল্পটা লেখার সময় রোহিনীকে বর্তমান ক্রেজে ইংলিশ মিডিয়াম ব্যাকগ্রাউন্ডে দেখিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল সময়ের তুলনায় যথেষ্ট অ্যাডভান্স হিসেবে তুলে ধরা। গল্পে রোহিণীকে দ্বাদশী হিসেবে দেখানোর পিছনে এমনই একটি চিন্তাভাবনা ছিল।যদিও এরকম ফিনিশিংয়ে আমার খুতখুতানি থেকেই গেছিল।


অস্বীকার করব না যে তুমি সহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গে মত বিনিময়ের পর আমার চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আসে। একটি যুৎসই সমাপ্তির জন্য বিগত কয়েক দিন আমি বেশ চিন্তায় ছিলাম। পাশাপাশি সময়েরও যথেষ্ট অভাব ছিল। যদিবা বিষয়টা ভাবলাম কিন্তু বাঁধ সাধলো সময়। পরিবর্তনশীল পরিবেশে নিজের ভাবনায় পরিবর্তন এনে সেটিকে এডিট করার মত সময় ও সুযোগ হয়ে উঠছিল না।

পরিবর্তনের লক্ষ্য আছে বা গল্পটি পড়ে পরিবর্তিত হতে পারে সেই ভাবনা তেই শেষের দিকে তোমাদের মন্তব্যগুলির প্রতিমন্তব্য আমি ইচ্ছে করেই দেইনি। গতকাল রাতে সর্বশেষ এডিশন পাবলিশ করেছি। যদি সময় থাকে তাহলে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়ার অনুরোধ রইল।

নিরন্তর ভালোবাসা ও শুভকামনা রইল।


১৭| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২৮

নজসু বলেছেন:





কেমন আছেন প্রিয়?
আপনার আহবান উপেক্ষা করার সাধ্য কই আমার।

২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৩৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হাহাহা ভালো আছি প্রিয়।
আপনি কেমন আছেন?

হৃদয়ের টানে সামিল হওয়াতে কৃতজ্ঞতা বোধ করছি; ধন্যবাদ জানবেন।

শুভকামনা রইলো।

১৮| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: যাক বাবা!

অবশেষে স্বপ্ন পূরণ হলো। হোক উৎরাই একটু বেশীই গভির...
সবশেষে মিলনানন্দে ভরপুর :)

আহা ! আমাদের অধরা স্বপ্নরা কি এভাবে পুরা হবে ;)
হা হা হা

+++

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় কবি ভাই,

বিলম্বিত উত্তর দেওয়ার জন্য দুঃখিত। রোহিণীকে নিয়ে আমি প্রচন্ড চিন্তায় ছিলাম। একটি যুৎসই সমাপ্তি আমার মাথায় চেপে বসেছিল। গতকাল রাতে যে সমাধাটি সম্পন্ন করলাম। মূলত এই উদ্দেশ্যেই আপনাদের প্রতিমন্তব্যগুলো দেইনি। এখন গল্পের শেষ অংশটি কেমন হয়েছে, নতুন করে পড়ে মতামত জানাতে অনুরোধ করবো।

পোস্টে লাইক ও আপনার মন্তব্য বরাবরই প্রেরণাদায়ক আনন্দের; কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।
শ্রদ্ধা শুভকামনা জানবেন।

১৯| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০৪

মাহের ইসলাম বলেছেন: সেরেছে।
একটু আগেই কেমন একটা মন্তব্য আগের পর্বে করে এসেছি।
এখন তো দেখছি, ভালোই ধরা খেলাম।
পুরো পরিস্থিতি বদলে গেছে।

যাকগে, ভালো লেগেছে। খুব চমৎকার একটা টার্ন এসেছে, কাহিনিতে।

শুভ কামনা রইল।
ভালো থাকবেন।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মাহের ভাই,

পোস্ট দেওয়ার পর বেশ চিন্তায় ছিলাম। রোহিণী ছিল আমার যত চিন্তার মূলে। একটা জুতসই সমাপ্তি মাথায় চেপে বসেছিল।আপনাদের মন্তব্য গুলো দেখেও যে কারণে উত্তর দিতে পারিনি। ক্ষমাপ্রার্থী বিলম্বিত উত্তর দেওয়ার জন্য।আগের পোস্টটি আপনার চিন্তা-ভাবনার সঙ্গে আমার যথেষ্ট মধ্যে মিল আছে, যেটা দুটো পোষ্টের মন্তব্যে পরিষ্কার। সুতরাং ধরা খাওয়ার কোন ভয় নেই, উল্টে আপনার মন্তব্যের মধ্যে সহমত খুঁজে পাওয়ায় নিজেকে ধন্য বলে মনে করছি। ধন্যবাদ আপনাকে।
সবশেষে সার্বিকভাবে পোস্টটি ভাল লাগাতে আনন্দ পেলাম। আবারো ধন্যবাদ জানাই আপনাকে।
আপনার শুভ কামনা গ্রহণ করলাম।
আপনার জন্যও রইল অফুরান শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

২০| ২৫ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৩

শায়মা বলেছেন: অনেক ভালো লাগা ভাইয়া।

নামগুলোও অনেক সুন্দর সব নাম।

শেষ পর্যন্ত শেষই হলো ...... :)

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রথমেই ক্ষমা চাইছি আপু, বিলম্বিত উত্তর দেওয়ার জন্য।
গল্পের ফিনিশিংটা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলাম। যেহেতু বিষয়টিতে নতুন করে চিন্তা-ভাবনার অবকাশ ছিল তাই আপনাদের মন্তব্যগুলি দেখেও প্রতিমন্তব্য ইচ্ছে করেই দেইনি। দামগুলো ভালোলাগাতে আনন্দ পেলাম।
শেষ পর্যন্ত শেষ হলো বটে..…কিন্তু নতুন করে শেষটি দেখার জন্য আবারো অনুরোধ রইল।
পোস্টে লাইক দেওয়াতে অনুপ্রাণিত হলাম কৃতজ্ঞতা জানাই আপনাকে।

অফুরান শুভেচ্ছা জানবেন।

২১| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৪:১১

এমজেডএফ বলেছেন:
আজকে আপনার তিন পর্বের ছোট গল্প "সমন্বিতা" পড়লাম। সাজানো-গুছানো ও প্রায় শতভাগ শুদ্ধ সাবলীল বাংলায় লেখা এ ধরনের ছোট গল্প ব্লগে খুব একটা চোখে পড়ে নাই। খুবই চমৎকার হয়েছে। আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন রইলো!

ব্লগে আমি লেখক ও পাঠক হিসাবে অনিয়মিত। হঠাৎ হঠাৎ করে আসি, প্রথম-দ্বিতীয় পাতায় যা থাকে চোখ বুলিয়ে দেখি। আনাড়ি লেখকদের গতানুগতিক বিরক্তিকর/একঘেঁয়েমি পোস্টের সংখ্যা বেশি :( । অনিয়মিত হওয়ায় অনেক ভালো পোস্ট আমি দেখার আগেই ভিতরের পাতায় চলে যায়। এইসব কারণে আপনার লেখা খুব একটা পড়া হয় নাই।

ফিকশন হলেও বাস্তবতার সাথে এই গল্পের অনেক মিল রয়েছে। তাই পাঠকের মনস্তাত্বিক আকর্ষণ গল্পের শেষ পর্বের শেষ লাইন পর্যন্ত ধরে রাখতে পেরেছেন। তবে ঘটনা ও চরিত্রের কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ছায়াছবির হালকা একটা প্রভাব পড়েছে। পরিশেষে রোহিনির উপস্থিতি ও ব্যতিক্রমধর্মী আবেগঘন সংলাপের মাধ্যমে গল্পের মিলনাত্মক সমাপ্তি তিন পর্বের ছোটগল্পকে অনেকটা তিন ঘন্টার বাংলা সিনেমার মতো মনে হয়েছে। :)

জীবনদর্শন, আবেগ ও রুঢ় বাস্তবতার নিরিখে নিখিলেশ, লগ্নজিতা ও রোহিনির কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংলাপের মধ্য দিয়ে গল্পের শেষ হলে মনে হয় আরো ভালো হতো। এই শেষ সংলাপ থেকেই প্রতিটি পাঠক নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিশ্লেষণ করে বের করবে নিখিলেশ ও লগ্নজিতার পরবর্তী অধ্যায় কী হবে। অর্থাৎ গল্পের শেষ হয়েও শেষ হলো না—এই আর কি!

শুভেচ্ছা ও শুভকামনা…

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় এমজেডএফ ভাই,

এক বছর 6 মাস ব্লগে এলেও ইতিপূর্বে কখনো আপনার মন্তব্য পায়নি। সে দিক থেকে এটিই আপনার প্রথম মন্তব্য; সু স্বাগতম আপনাকে। আপনি একজন সুচিত সুচিন্তিত ব্লগার। বিভিন্ন পোস্টে আপনার সুন্দর মন্তব্যগুলি ইতিপূর্বে করে যথেষ্ট উপলব্ধি করেছি। হয়তো এ কারণেই আপনার কমেন্টের সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম। এমনই মধুর একটি কমেন্টের জন্য প্রীত হলাম। অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে।
ব্যক্তিগত জীবনে আমরা প্রত্যেকেই কম-বেশি কাজের সঙ্গে যুক্ত। অবসর সময়ে আমরা ব্লগিং করি।সে দিক থেকে হয়তো আপনার সময় আরো কম যে কারণে ব্লগে আপনার পদচারণার চিহ্ন যথেষ্ট কম ‌। কিন্তু আপনার কমেন্টের ক্ষুরধার যেকোন পোস্টদাতার পক্ষে আকর্ষণীয়, ঠিক যতটা আনন্দ আমি আজ উপলব্ধি করছি। আপনার অবসরকালীন সময়ে যদি সম্ভব হয় তাহলে আগামীতে এভাবে পাশে পাওয়ার আশা রাখি।

কি যে বলেন গল্পের সঙ্গে বাস্তবতার মিল! আমরা নেহাত হাতুড়ে লেখক। কিছুটা ঝোঁকের মাথায় দু'কলম লেখার চেষ্টা করি।সেখানে বাস্তবতার স্থান কতটুকু সে বিষয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। তবে আপনারা বোদ্ধা পাঠক। আপনাদের সূক্ষ্ম বিচার বিশ্লেষণে যদি বাস্তবতা সামান্যতম ধরা পড়ে সেটাই আমাদের পক্ষে আনন্দের, আমাদের অনুপ্রেরণা, আমাদের আগামীর চলার পথের দিশারী।
আবারো ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের এমন সুন্দর অভিব্যক্তি প্রকাশ করার জন্য। মন্তব্য শেষে বাংলা সিনেমার প্রসঙ্গটি আনাই যারপরনাই ব্যথিত, লজ্জা পেলাম বৈকি।
আগেও বলেছি আপনাকে বলছি, রোহিণীকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। চলার মত একটা ফিনিশিং করলেও নিজের খুতখুতানি থেকে গেছিল। মূলত নুতন এডিটিং এর জন্যই প্রতিমন্তব্যে সময় নেওয়া। আপনাকে আর একবার অনুরোধ করবো শেষ অংশটি দেখার।

নিরন্তর শুভকামনা জানবেন।


২২| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আনমোনা বলেছেন: শেষটা যেমন ভেবেছিলাম, মধুমিলন, তাই। কিন্তু কেমন যেন তাড়াহুড়ো হয়ে গেলো। আরেকটু সময় নিয়ে শেষ করলে মনে হয় ভালো হতো।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সংক্ষেপে খুব সুন্দর অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন।
যদিও পোস্টটির সংশোধনের পরবর্তী মন্তব্যটিও পেয়েছি। মূল্যবান মতামত রেখে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

ভালো থাকুন সব সময়।

২৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

করুণাধারা বলেছেন: মধুর সমাপ্তি- ভালো লেগেছে।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে
শেষ অংশটি আবার এডিট করেছি আপু। সময় থাকলে আর একবার দেখার অনুরোধ রইলো।

পোষ্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম। কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

২৪| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৪৮

আনমোনা বলেছেন: এইবার বেশী ভালো লাগছে।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ আপু আপনাকে দ্বিতীয়বার আবার এসে মনোভাব ব্যক্ত করার জন্য।
পোস্টটিকে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভকামনা রইলো।

২৫| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,





দেশের বাইরে আছি তাই লেখাটি শুরু থেকে পড়া সম্ভব হয়নি। দেশে ফিরে পড়ার আশা রাখি।

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় জীএস ভাই,


ঠিক আছে আপনি যেহেতু বিদেশে আছেন সাবধানে বাড়ি ফিরুন। পরে সময় সুযোগ মত যদি পড়েন তাতেই আনন্দ পাব। এমন আন্তরিক মন্তব্যে মুগ্ধ হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে ।

শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

২৬| ২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:৫৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সাধারণতঃ অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকিয়ে যায়। এবার মনে হয় সাগর শুকাবে না। ;)

তিন পর্বের সারমর্মে মনে হলো তিন ঘন্টার বাংলা ছায়াছবি দেখলাম। পাত্র-পাত্রীদের অভিনয় ভালোই ছিল। তবে পরিচালক তার ১০০% দিয়েছেন.....এটা বলা যাবে না। :P

সবমিলিয়ে উপভোগ্য হয়েছে!!!

২৭ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন মফিজ ভাই, অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকিয়ে যায়। কিন্তু সবকিছুই একটা ব্যতিক্রমও আছে। সবসময় অভাগা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না।
লেখার চেষ্টা করেছিলাম গল্প। কিন্তু তা যে ফিল্ম হয়ে যাবে সে ধারণা ছিল না। সুন্দর আইডিয়া দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে এমন করে যখন সাহস দিচ্ছেন তাহলে আর্থিক সামর্থ্যের কিছুটা দায়ী নিন তাহলে হলিউড টলিউড বলিউড যেকোনো একটা উডের উপর দাঁড়িয়ে পড়ি হা হা হা

পরিশেষে সব মিলিয়ে উপভোগ্য হওয়াতে ও পোস্টটিতে like' করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভেচ্ছা নিয়েন।

২৭| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:৩৬

এমজেডএফ বলেছেন:
আমার আগের মন্তব্যে আপনার আন্তরিক ও দীর্ঘ উত্তরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। উত্তরের জন্য অজস্র ধন্যবাদ।

বয়ঃসন্ধিকালে দৈহিক ও মানসিক দ্রুত পরিবর্তনের কারণে টিনএজার ছেলেমেয়েরা খুবই সংবেদনশীল হয়ে থাকে। সাধারনত বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরা মা বা বাবার ২য় সম্পর্ককে সহজে মেনে নিতে পারে না। যার কারণে টিনএজার ছেলেমেয়ে থাকলে এমন কি বিদেশের খোলামেলা জীবনে অভস্থ্য অনেক মানুষও দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে চাইনা।

যেহেতু রোহিণীর সাথে আঙ্কেল নিখিলেশের আগে থেকে আদর-স্নেহের কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এই ক্ষেত্রে রোহিণীর প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক হওয়ায় স্বাভাবিক। যাই-হোক, যেহেতু ফিকশন গল্প তাই বাস্তবের সাথে মিলতে হবে তেমন কোনো কথা নেই। তাছাড়া বাস্তবেও অনেক সময় ব্যতিক্রমধর্মী ঘটনা ঘটে।

"আমি ছোট্ট রোহিণীকে সস্নেহে আদর করে হাত ধরে কাছে টানার চেষ্টা করলেও ও আমার ডাকে সাড়া না দিয়ে মায়ের কোলেই মুখ লুকালো। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে তখনো সমানে বলে চলেছে,
- মাম্মি আমারও বাবার কথা প্রচন্ড মনে পড়ছে।
"
গল্পের সংশোধিত শেষাংশটুকু পড়ে খুবই চমৎকৃত হলাম! একেবারে আমার উপরোল্লোখিত চিন্তাভাবনার প্রতিফলন। খুবই সুন্দর ফিনিশিং হয়েছে দাদা! কথা অল্প কিন্তু অর্থ অনেক গভীর। রোহিণী তার আচরণ ও কথায় নিখিলেশকে মায়ের বন্ধু হিসাবে কাছেও টেনে নেয়নি আবার একেবারে দূরেও ঠেলে দেয়নি।

শুভকামনা রইলো। ভালো থাকুন।

২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় এমজেডএফ ভাই,

আপনি আবার মন্তব্যে আসাতে আনন্দ পেলাম। অত্যন্ত সুন্দর মন্তব্যে আবারো মুগ্ধ হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে। টিনেজার সম্পর্কে আপনার মতামতের সঙ্গে আমি সম্পূর্ন সহমত পোষণ করছি। সঙ্গত কারণেই এসময়ের বেশিরভাগ ছেলেমেয়েরা বাবা মায়ের দ্বিতীয় সম্পর্ক মেনে নিতে পারে না। এক্ষেত্রে যদি বাবা-মায়েরা বাচ্চাদের চাওয়া-পাওয়াকে মূল্য না দেয় তাহলে তার পরিণাম ভয়াবহ হতে বাধ্য।

রোহিণী সম্পর্কে আপনার মতামতটা প্রণিধানযোগ্য। আপনাদের কয়েকজনের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এডিশনে গিয়ে আমি ওটাই মাথায় রেখেছিলাম, এক হিসেবে সম্পূর্ণ অপরিচিত আঙ্কেলকে খুব বেশি আপনজন হিসাবে দেখানোটা বোধায় ঠিক হচ্ছে না। যে ভাবনাকে পরে কাজে লাগানো। এ বিষয়ে যাবতীয় কৃতিত্ব আপনাদেরই। আপনাদের সুচিন্তিত মন্তব্যে এমন আভাস না পেলে হয়তো পূর্বের ম্যাড়মেড়ে সমাপ্তিতে আমি আটকে থাকতাম। আবারো ধন্যবাদ জানাই আপনাকে।

সবশেষে ফিনিশিংটা কোটেশন করে আপনি যেভাবে স্বতঃস্ফূর্ত অভিমত ব্যক্ত করলেন তাতে আমি আপ্লুত। পোস্ট পড়ে," কথা অল্প কিন্তু অর্থ অনেক গভীর। রোহিণী তার আচরণ ও কথায় নিখিলেশকে মায়ের বন্ধু হিসেবে কাছেও টেনে নেয়নি আবার একেবারে দূরেও ঠেলে দেয়নি।" এমন মধুর ভাবনা কজন ভাবতে পারে। আপনার এমন মন্তব্যের লোভ আমার পেয়ে বসল। আগামীতেও এভাবে পাশে পাওয়ার আশা রাখি।


আপনার শুভকামনা গ্রহণ করলাম।
আপনার জন্যও রইল অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।


২৮| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:৪৩

মুক্তা নীল বলেছেন:
দাদা ,
অসাধারণ মিলন .....
জীবনের শেষপাড় পর্যন্ত ছোট ছোট দুঃখ ,সুখ ভাগ করে দুজনের ভাগ্য রেখায় জীবনের শেষ পরিপূর্ণতায় পৌঁছে যাবে নিখিলেশ ও লগ্নজিতা অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি গল্প উপহার দেওয়ার জন্য।
দাদা আমার শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় ছোট বোন,

চিন্তায় ছিলাম আপনার আগমন নিয়ে। যদিও ইতিপূর্বে আগের পোষ্টে আপনার মন্তব্য পড়েছি। সময় অভাবে প্রতিমন্তব্য করা হয়নি। বোনের সুন্দর মন্তব্যে প্রীত হলাম। ধন্যবাদ রইলো।
"জীবনের শেষপাড় পর্যন্ত ছোট ছোট দুঃখ, সুখ ভাগ করে দুজনের ভাগ্য রেখায় জীবনের শেষ পরিপূর্ণতায় পৌঁছে যাবে নিখিলেশ ঝ লগ্নজিতা। "চমৎকার মন্তব্যে মুগ্ধ হলাম। সাথে সাথে সার্বিকভাবে গল্পটি ভাল লাগাতে অনেক খুশি হলাম আবার ধন্যবাদ জানাই ছোট বোনকে।
পোস্টটিতে like' করাতে প্রেরণা পেলাম, কৃতজ্ঞতা জানাই।
বোনের শ্রদ্ধা ও শুভকামনা গ্রহণ করলাম।
দাদার পক্ষ থেকে বোনকেও অফুরান শুভেচ্ছা রইল।

২৯| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৫৩

মানতাশা বলেছেন: ***********************
ভালো
***********************

২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:১০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আমার কোন পোস্টে প্রথম মন্তব্য আপনার। সু স্বাগতম আপনাকে।
ছোট্ট সুন্দর মন্তব্যে প্রীত হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

৩০| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৩৪

নীল আকাশ বলেছেন: কিছু মনে করবেন না। আপনার এই গল্পের ফিনিস আমার একদমই পছন্দ হয়নি।
ফিনিসটা কেমন হতে পারত, দেখুন-( শুধু আপনার জন্যই এত কষ্ট করলাম৷)

বেশ কিছুক্ষন ঐ বাসায় থেকে আমি লগ্নজিতার সাথে আর কথা না বলে বাসা থেকে বের হয়ে আসলাম। মনের ভিতর উথাল পাতাল ঢেউ বইছে। এতটা গভীর ভালোবাসা আমার চোখ কিভাবে এড়িয়ে গেল? এতটা নির্বোধ কিভাবে ছিলাম আমি সেটার কোনই কূলকিনারা পেলাম না। ভালোবাসার এতটা কাছে এসেও আমি প্রণয়ের তরী কোনটা সেটাই চিনলাম না।

উদ্দেশ্যহীন ভাবে গ্রামের মেঠোপথ দিয়ে হেটে ফিরছি। বিক্ষিপ্ত মন, কিছুই ভালো লাগছে না। হঠাৎই চলে আসার আগের শেষবারের মতো লগ্নজিতার চোখ দুইটার কথা মনে পড়ে গেল। চোখের সেই সুতীব্র আকুতির মানে আমি হুট করেই বুঝতে পারলাম। বুকটা তছনছ হয়ে গেল। থমকে দাড়ালাম। এ আমি কি করছি? আবারও একই ভুল করলাম?
মুহুর্তেই ঘুরে দাড়ালাম। কি হলো ঠিক জানি না, হন্তদন্ত হয়ে ছুটে চলছি। এখন আর নিজের উপর কোন স্বাধীনতা নেই। পা দুটো যেদিক যেতে চাইছে সেদিকেই যাচ্ছি।

কিছুক্ষন পর খুব চেনা একটা বাসার আরও বেশি চেনা একটা দরজায় যেয়ে জোরে জোরে আঘাত করতে লাগলাম। দরজাটা খুলতেই ঘরে ঢুকে দরজাটা ভিতর থেকে লাগিয়ে দিলাম।
নীচু হয়ে থাকা মাথাটা ডানহাত দিয়ে উচু করতেই জলে ভেজা চোখদুটিতে জীবনের মানে খুজে পেলাম।
-দাদা তুই ফিরে এসেছিস?
-হ্যারে পাগলি।
-এত দেরী হলো কেন?
-নিঃসঙ্গতার মাঝে থাকতে থাকতে ভালোবাসা চিনতেও ভুলে গিয়েছিলাম। আর এই ভুল হবে না।

দুইহাতে চোখ মুছে লগ্নজিতা এক অদ্ভুত দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। সেই দৃষ্টিতে আমি সহসাই যেন খুজে পেলাম বহু বছর আগে কৈশরে ফেলে আসা অসম্ভব আবেগে ঢাকা সেই ভালোবাসার হাতছানি।
@ নীল আকাশ

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:৩৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় নীল আকাশ ভাই,

কষ্ট করে সুন্দর মন্তব্য রেখে দেওয়ার জন্য অজস্র ধন্যবাদ আপনাকে। তারিফ করি আপনার ভাবনা শক্তির গভীরতাকে। আপনি হলেন শাশ্বত প্রেমের কবি। যার গদ্যরূপ গল্পের মাধ্যমে বিকশিত হয়। সুন্দর সুন্দর গল্পে আপনি তারই ডানা মেলে ধরেছেন। এই গল্পের শেষ অংশটা নিয়ে আপনার সুন্দর ভাবনা শক্তিতে যে কারণে আপ্লুত হলাম। সত্যিই তো গল্পপাঠ করে এমন করে ভাবতে পারেই বা কজন।

এবার আমার দিক থেকে অমন ফিনিশিংয়ে যে চিন্তা ভাবনা ছিল-
গল্পে নিখিলেশ প্রকৃতিগতভাবে অন্তর্মুখী স্বভাবের। আগাগোড়া তার অন্তর্মুখী স্বভাবকে বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। অপরদিকে লগ্নজিতা বিপরীত স্বভাবের হলেও খুব বেশি এক্সপোজার নয়। যে কিনা আবার মাকে যমের মত ভয় পায়। গল্পে একাধিক জায়গায় উল্লেখ আছে, লগ্নজিতা তার সুপ্ত বাসনাকে মায়ের ভয়ের কাছে অবদমন করতে বাধ্য হয়েছে। কাজেই এমন দুটি চরিত্রকে সামনে রেখে গল্পের বিন্যাস করতে আমাকে ওরকম সমাপ্তি করা ছাড়া উপায় ছিল না।

গল্পে নায়কের একজনের ম্যানারিজম থাকে। ম্যানারিজম রুপোলি পর্দায় যতটা প্রাসঙ্গিক লাগে বাস্তবে যেন বড্ড বোকা বোকা লাগে। অবশ্য আমি আমার মতামত জানালাম।তবে আপনার সুন্দর পরামর্শটি ভবিষ্যতে অন্য কোন গল্পে অবশ্যই ব্যবহার করব তখন কিন্তু আপনি না করতে পারবেন না হাহাহা....


শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানবেন।

৩১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,




কথা ছিলো, এই গল্পের সব পর্ব সময় করে পড়বো। পড়লুম গোড়া থেকেই । প্রসঙ্গ থেকে প্রসাঙ্গন্তরে চলে গেছেন। এতো ছড়িয়ে না লিখলেও চলতো। লগ্নজিতাকে নিয়ে নায়কের টানাপোড়েনটাই যখন উপলক্ষ্য তখন অন্য অনুপানের দরকার ছিলোনা মনে হয়। ঐ বিষয়টা নিয়েই আরো গাঢ় আবেগের ঘন বুনটে গল্পটাকে ছোট করা যেত।

আশা করি মন্তব্যে অখুশি হবেন না। আপনার গল্প লেখার যে একটা তীব্র "প্যাশন" রয়েছে সে দিকটা ভেবেই মন্তব্যটি করা যাতে আপনার পরবর্তী গল্পগুলো সুখপাঠ্য হয়ে ওঠে, ছোট কিন্তু ঘোর লাগার মতো যার আবেশ থেকে যায় দিনের পরে দিন। কারন আপনার গল্পের থিমগুলো বাস্তবতা বিবর্জিত নয় মোটেও বরং জীবনঘন। এখানেই আপনার দক্ষতা।

শুভেচ্ছান্তে।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় জী এস ভাই,

প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই পূর্বপ্রতিশ্রুতি মত সময় নিয়ে পূর্ণাঙ্গ মন্তব্য করার জন্য। আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য আবারো ধন্যবাদ জানাই আপনাকে। আপনার পরামর্শটি মাথায় পেতে নিলাম।গল্পটি স্ক্যাটার্ড মনে হওয়াতে আগামী দিনে গল্পের বিন্যাস নিয়ে আবারো ভাববো।
মন্তব্যের দ্বিতীয়াংশে অখুশির কোন প্রশ্নই ওঠে না। এমন মন্তব্যই তো যে কোন কবি/ লেখককে নির্দিষ্ট দিশা দেখাতে বাধ্য। আগামী দিনেও আপনার এমন গঠনমূলক মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকবো।

শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.