নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার নিরক্ষর কিন্তু বুদ্ধিমতী মায়ের কাছ থেকে এই শিক্ষাই পেয়েছিলাম,যথাযথ কর্তব্য পালন করেই উপযুক্ত অধিকার আদায় করা সম্ভব। - মহাত্মা গান্ধী

পদাতিক চৌধুরি

হাই,আমি পদাতিক চৌধুরী।পথেঘাটে ঘুরে বেড়াই।আগডুম বাগডুম লিখি। এমনই আগডুম বাগডুমের পরিচয় পেতে হলে আমার ব্লগে আপনাদেরকে স্বাগত।

পদাতিক চৌধুরি › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভীতুর ভূত দর্শন( শেষ পর্ব )

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:০১



ভীতুর ভূত দর্শন (পর্ব-১)

ভীতুর ভূত দর্শন (পর্ব-২)

ঐ রাতে আবার ভালো করে স্নান করে আমরা প্রবীরের ঘরে শুয়ে পড়ি।এরই মধ্যে কোন এক সময় সুপর্ণাকে পাশে পেতেই জিজ্ঞেস করি,
-তোমার কি তখন ও ভাবে হাসা ঠিক হয়েছিল?
-স্যরি দাদা। আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি যে তোমরা সত্যিই অতটা ভয় পেয়েছো। প্লিজ দাদা কিছু মনে করো না। সত্যিই তখন ওভাবে হাসাটা আমার ঠিক হয়নি।
নতুন করে শোয়ার আগে সুপর্ণা আরও দুবার ঢুঁ মেরে গেল। তবে আমার আর ওসবের প্রতি মন ছিলোনা। আতঙ্ক তখন এতটাই গ্রাস করেছে যে এই ঘরেও ভূত আসতে পারে ভেবে হ্যারিকেনের নভটা অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ বাদে অনেকটা দূর থেকে মোরগের ডাক কানে এলো। আরও কিছুক্ষণ বাদে পূর্বাকাশে রক্তিম আভা দেখা দিল।

পরেরদিন সকালে আমরা তখন সবে বিছানা ছেড়ে উঠেছি। এমন সময় মাসিমা-মেসোমশাই দুজনাই ঘরের মধ্যে প্রবেশ করলেন। প্রবীরের হয়ে দুজনেই আবার আমাদের কাছে ক্ষমা চাইলেন। এবার গোরা মুখ খুললো,
-ভূল তো আমাদেরই হয়েছে মাসিমা। আমরা ভূত দেখবো বলেই এখানে এসেছিলাম। আর এজন্যই মাঝরাতে আপনাদের না জানিয়ে ঘর বদল করি। তাই ক্ষমা যদি চাইতেই হয় তাহলে আমাদেরই চাওয়া উচিত।
-হ্যাঁ বল কি! তোমরা ভুত দেখবে বলে এসেছিলে? অথচ প্রবীর তো আমাকে কিছুই বলেনি?
আমাদেরকে সামনে রেখে ছেলেকে আরও একপ্রস্থ বকাবকি করলেন।
-শোনো তাহলে তোমাদেরকে আসল ঘটনাটা খুলে বলি,বলে মেসোমশাই যা বললেন....
-দুই ছেলে-মেয়ে, মা ও তোমার মাসিমাকে নিয়ে ছিল আমার সুখের সংসার।ওদের ছোটবেলায় তেমন সমস্যা না হলেও বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারের খরচ অনেকটাই বেড়ে যায়। সংসার চলানো তখন খুব সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছিল । গ্রামে থেকে সামান্য এক ফসলি জমির উপর নির্ভর না করে, আরও একটু ভালো কাজের আশায় আমি গুজরাতে স্বর্ণ শিল্পের কাজে গেছিলাম। প্রথম দিকে সব ঠিকঠাক চলছিল।ভেবেছিলাম ঠাকুর বুঝি এবার আমাদের প্রতি সুপ্রসন্ন হয়েছেন।কিন্তু কিছুদিন পর থেকে কেমন যেন সব গড়মিল হয়ে যায়। ঠিকমতো মজুরি না পাওয়ায় বাড়িতে নিয়মিত টাকা পাঠানো বন্ধ হয়ে যায়। ওদিকে গ্রাম থেকে শুনি বাড়িতে মা ভয়ানক অসুস্থ। যার অধীনে কাজ করতাম, এবার ভাবলাম মায়ের অসুস্থতার কথা জানিয়ে যদি বকেয়া টাকাটা দেয়। কিন্তু না। না দিল টাকা বা না দিল ছুটি। টাকা বা ছুটি না মিললেও আমার ধারণা ছিল, তোমার মাসিমা যে করেই হোক সংসারটা সামলে নেবেন। এরইমধ্যে আচমকা একদিন মায়ের মৃত্যুর খবর পেলাম। কিছু টাকা পেয়ে তড়িঘড়ি করে বাড়ি এসে শুনলাম মা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। প্রথমে পুরোহিত মহাশয় রাজি না হলেও পরে শাস্ত্রমতে মায়ের সৎকার ও শ্রাদ্ধশান্তির ব্যবস্থা করি। সেদিন রাতে বাড়িতে লোকজন বেশি হওয়ায় কয়েকজনকে মায়ের ঘরে থাকার ব্যবস্থাও করেছিলাম। উল্লেখ্য ঐ ঘরটি আমাদের পুরানো বাড়ি। পরে আমি এই নুতন বাড়িটি করলেও মা ঐ বাড়ি ছেড়ে কোনোদিন এখানে আসেননি।যাইহোক রাত তখন দুইটা/আড়াইটা নাগাদ হঠাৎ সকলে চিৎকার করে উঠে। আমি তখনও জেগেই ছিলাম। ছুটে গিয়ে শুনলাম, ওরা মাকে ঝুলতে দেখেছে । ভাবলাম মায়ের ঘর ছিল বলেই, একটি ফোবিয়া থেকেই হয়তো এমন আশঙ্কা করছে।

এদিকে এখবর চাউর হতেই স্থানীয় যুক্তিবাদী মঞ্চের কয়েকজন, একদিন সকালে আমাদের বাড়িতে আসে।কুসংস্কার বা বুজরুকি বলে তারা ঘটনাটা বর্ননা করে এবং এমন ঘটনা অপপ্রচার না করতেও সতর্ক করে দেয়। আমার কিছুই বলতে হয়নি কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকজন তাদেরকে চেপে ধরে, যদি কিছুই না থাকে তাহলে এখানে রাত কাটিয়ে তারা তাদের দাবির সত্যতা প্রমাণ করুক। যদিও আমার পরিবারের উপর যে ঝড় বয়ে গেছে তাতে নতুন করে এসব বিষয়গুলোকে এড়িয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উভয় পক্ষের কাছে আমার যুক্তি ধোপে টিকলো না। যুক্তিবাদী দলের দুজন সভ্য ঐ ঘরে একদিন রাত কাটিয়ে কিছু পায়নি। তখন ভেবেছিলাম, সত্যিই তাহলে ওই ঘরে তেমন কিছু নেই। কিন্তু কয়েকদিন পর আবার একই সমস্যা দেখা দেয়। সেবার কিছু আত্মীয় কুটুম্ব ছিল। যুক্তিবাদী মঞ্চের কাছে আবার খবরটি যায়। তখন তারা দুটি দলে ভাগ হয়ে পালা করে ওখানে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। কি আশ্চর্য! প্রথম দল যে অভিজ্ঞতায় পড়েছিল, পরের দলটিও সেই একই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয় । তার পর থেকে এই ঘরে আমি আর কাউকে থাকতে দিই না। আজ তোমরা কেন যে আমাকে লুকালে? তবে উপরওয়ালার রক্ষে যে তোমাদের কারো তেমন কিছু হয়নি।

কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে মেসোমশাই মাসীমার দিকে একবার তাকিয়ে আবারো বলতে লাগলেন,
-মায়ের মৃত্যুর কারণ নিয়ে আমি তোমার মাসিমার কাছে সত্য ঘটনাটা জানতে চেয়েছিলাম। মিনতি তার অপরাধ স্বীকার করে যে ঘটনাটা বলেছিল...
মাকে মিনতি নিয়মিত খেতে দিতনা। দিনের পর দিন মা এক হিসাবে না খেয়ে থাকতো। জলের পাত্রগুলি সব লুকিয়ে রাখতো। ঘরে সন্ধ্যাবাতি দিতোনা। মায়ের ঘর মা পরিষ্কার করতে না পারায় চূড়ান্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ও অবহেলায় থাকতে মা একপ্রকার বাধ্য হয়েছিল।
হঠাৎ উচ্চস্বরে ক্রন্দনে পরিবেশটি আরও থমথমে হয়ে যায়। লাল মেঝেতে বসে দুপায়ের মধ্যে মাথা গুঁজে মাসিমা উচ্চস্বরে বিলাপ করতে করতে বলতে লাগলেন।
-ভগবান যেন আমাকে ক্ষমা না করে।আমি যে অন্যায় করেছি তার যথাযথ শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমার আত্মাও শান্তি পাবে না।
মেসোমশাই একজন দায়িত্বশীল স্বামীর মতই মাসীমার মাথায় ও পিঠে হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতে লাগলেন।
-শান্ত হও মিনতি। যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে। আর নতুন করে ওসব কথা ভেবে মন খারাপ করোনা।
চূড়ান্ত নিরবতার মধ্যে আঁচল দিয়ে ঘন ঘন চোখের জল মুছতে মাসিমার হাতের নুরা পলা শাঁখার মিশ্রণে তৈরি শব্দই আমাদের সকলের উপস্থিতির সাক্ষ্য বহন করেছিল। প্রবীর আমাদের পাশেই ছিল। দূরে দরজার কাছে সুপর্ণা দেওয়ালে ঠেস দিয়ে মুখ নিচু করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। আর মাসিমা ক্রমাগত কেঁদেই চলেছেন।
আমরা বুঝতে পারছি না এই অবস্থায় আমাদের করণীয় কি?
মাসিমা একটু শান্ত হতেই মেসোমশাই আবার বলতে লাগলেন,
-সব দোষ তোমার মাসিমার নয়, দোষ আমারও ছিল।এদিকে আমি টাকা না পাওয়াই সময়মত টাকা পাঠাতে পারিনি। ফলে সংসার চালাতে মিনতির খুব অসুবিধা হচ্ছিল। এমতাবস্থায় চূড়ান্ত অবহেলায়, দীর্ঘদিন অনাহারে ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সহ্য করতে না পেরে মা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে ।

এই ঘটনার পরে আমার বন্ধু গোরা অসম্ভব রকম ভূত বিশ্বাসী হয়ে পড়লো । আর আমি তো রাতের বেলা বাইরে বের হওয়া বন্ধই করে দিলাম।গত রাতের ঘটনা এবং সকালে মেসোমশাই এর সরল স্বীকারোক্তির পর চূড়ান্ত বিষন্নতার মধ্যেই আমাদের বাকি সময়টা কেটেছিল।ফেরার সময় কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে প্রবীরের সঙ্গে গল্প করতে করতে তখন বেশ কিছুটা দূরে চলে এসেছি। এমন সময় দূর থেকে সুপর্ণার চিৎকারে পিছন ফিরে দাঁড়ালাম। দূরে বাড়ির সামনে আমারই একটি পেন উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একবার ভাবলাম পেনটি না হয় ওর কাছেই থাক। কিন্তু প্রবীর বাঁধা দিল। ও বোনের কাছে পেন আনতে উদ্ধত হলে আমিই এবার ওকে বাঁধা দিলাম। সেকেন্ডের মধ্যে নিজেই ছুটে গেলাম পেনটি নিতে। পেনটি নেওয়ার সময় সুপর্ণার নরম হাতের স্পর্শ পেলাম। আমি সরি বলতেই, ও মিষ্টি হাসি উপহার দিয়ে জানালো,
-ভাগ্যিস দাদা আসেনি।
-কেন দাদা এলে কি হতো?
-সব কথা কি মুখে বলতে হয়?
সাথে আরও জানালো প্লিজ হিরণদা দাদা যেন না জানে। পেনটি আড়ালে খুলবে,বলেই সুপর্ণা জোরে পা চালিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিল।
আমি গতকালের সমস্ত ঘটনা ভুলে গিয়ে একটা মিষ্টি হাসি উপহার দিলেও পরে সে আর পিছন ফিরে তাকালো না। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই আমিও ছুটে চলে এলাম যথাস্থানে। বোট ঘাট থেকে প্রবীর বিদায় নিতেই জল বিয়োগের নামে কিছুটা দুরে গিয়ে পেনটির মুখ খুলতেই দেখি ভিতরে কোন রিফিল নাই। একটা সাদা চিরকুট সুন্দর করে সাজানো। লেখা আছে,
-পারবেনা হিরণদা ভুতের অভিজ্ঞতাকে দূরে সরিয়ে রেখে আমাকে হৃদয়ে ধারণ করতে? যদি পারো, তাহলে তোমার আগমনের অপেক্ষায় রইলাম।
পাগলি মেয়েটি! এতঝড় তুফানের মধ্যেও হৃদয়ের এতোখানি গভীরে যে ঢুকতে পারবে তা যে আগে বুঝতে পারিনি। সেদিন ফেরার পথে প্রতিটি পদধ্বনির মধ্যেই সুপর্ণার মায়াবী চাহনি আমার হৃদয়ে যে দুন্দুভি বাজিয়েছিল তাকে অস্বীকার করি কেমনে।


বিশেষ দ্রষ্টব্য:-রিপোস্ট। একটু ঘসা মাজা করেছি ঠিকই। সেদিন যারা মন্তব্য করেছিলেন[email protected]চাঁদগাজী @কাওসার চৌধুরী @নীলপরী @রাজীব নুর @শামচুল হক @ব্লগার প্রান্ত @আখেনাটেন @নূর মোহাম্মদ নূরু @প্রামানিক @খায়রুল আহসান @রাজীব নুর।


মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:০৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: না পইড়াই বুকিং দিয়া গেলাম। পরে আইতাছি.......বাইরে যাইতে হইবো। B-)

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:১৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বাইরে যাচ্ছেন ঠিক আছে সমস্যা নাই। তবে এখন চারদিকে ভূত-প্রেতের ছড়াছড়ি। বেশি রাত করিয়েন না। দিনকাল ভালো ঠেকছে না। আর হ্যাঁ আপনার ফুকিং কনফার্ম... অপেক্ষায় রইলাম...

২| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:১৪

জুন বলেছেন: আপ্নেতো দেখি একটা জমজমাট প্রেমের গল্প লেইখা ফেলছেন পদাতিক!!
এর মধ্যে ভুত কই :-* B:-)

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:২৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্যরি আপু আপনি যে সিংহপুরুষের দলে। আমরা ভীতুরা বাসার আনাচে-কানাচে ভূত দেখতে পেলেও আপনারা স্বদেশ নয়, বিদেশে তন্ন তন্ন করে খুঁজলেও ভূত দেখতে পাবেন না। হেহেহে

৩| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


করুণ কাহিনী।

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:
কি আর করার... এমন হাজারো দুঃখেও মানুষ বেঁচে আছে।
পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানবেন

৪| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: এরকম হবে আমি আগেই ভেবেছিলাম।

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৫২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় ছোট ভাইকে।
ভাইয়ের অনুমান মিলে যাওয়াতে খুশি হলাম আবারো ধন্যবাদ।
শুভকামনা রইল।

৫| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:৩৬

ওমেরা বলেছেন: আত্বহত্যা করলে কি মানুষ সত্যি ভুত হয়ে যায়?
ভুতের গল্প তো মিষ্টি প্রেমের গল্প হয়ে গেল ।

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৭:৪২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল আপু।
হ্যাঁ আমরাও সেরকমই ধারণা। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আর ভূতের গল্পে প্রেমের পরিণতি সম্পর্কে জানাই, জগতে কেউ কারোর জন্য এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে রাজি নয়। ভূত যেমন মানুষকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে মজা পায়। তেমনি মনের অন্তরে লুকানো প্রেম সময় বিশেষ তো ঝিলিক মারবে এটা তো খুবই স্বাভাবিক।
অনেকদিন পর আপনার লাইক পেয়ে অনুপ্রাণিত হলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

শুভেচ্ছা নিয়েন।

৬| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৩:০৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন: প্রেমের উষ্ণতায় ভূত এবার দুর হোক।

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৭:৪৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় নেওয়াজ ভাই। হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন সহমত আপনার সঙ্গে যে প্রেমের উষ্ণতায় ভূত এবার দূর হোক। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন।

৭| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৩:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



করলেনটাকি ?
ভুতের গল্পটা যে অল্পতেই শেষ হয়ে গেল।
ভুতের প্রেম দুনিয়ার সেরা প্রেম ।
একটি ভারতীয় অন লাইন বাংলা ড্রামা
সিরিয়াল চুনি পান্না চলছে বেশ কিছুদিন ধরে ।
আমি নিয়মিত প্রতিটি পর্বই দেখি ।
সেখানে দেখতে পাবেন মরে গিয়ে ভুত
হলেও পান্নার বুকে কত প্রেমের কান্না
জমে আছে ।

সুন্দর একটি গল্প পর্বাকারে
পরিবেশনের জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় আলী ভাই,

তিনটি পর্বে ভূতের গল্প শেষ করাতে আপনি যেমন অবাক হলেন পাশাপাশি জুনাপুর মত অনেকেই আবার পর্ব করে দেওয়াতে রীতিমতো বিরক্ত। আমি নিজে যদিও সময়াভাবে একসঙ্গে না টাইপ করতে না পারায় পর্ব করে দিয়েছি।
"ভুতের প্রেম দুনিয়ার সেরা প্রেম।"ঠিকই বলেছেন। প্রিয়জনকে হারিয়ে তার অভাবকে পূর্ণ করতে মানুষ অনেক সময় এরকম করেই থাকে। আপনার হয়তো মনে পড়ে থাকবে, পুত্র রথীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর কবিগুরু প্লানচেট করতেন মৃত উত্তরের আত্মার সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করতে। এরকমই কিছু সত্য ঘটনা নিয়েই মুভি বা সিরিয়ালগুলি গড়ে উঠেছে। বেশ কয়েক বছর আগে জি বাংলায় 'ভুতু' শিরোনামে একটি সিরিয়াল এরকম ঘটনাকে নিয়েই তৈরি হয়েছিল। চুন্নি পান্নাটা আমি দেখি নি অবশ্য। আপনার সুন্দর অনুভূতি শেয়ার করার জন্য প্রীত হলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।

মিশ্র অনুভূতি হলেও সবশেষে আপনার ভালো লাগাতে ও পোস্টে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম; কৃতজ্ঞতা জানবেন।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা আপনাকে।


৮| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ ভোর ৬:১৯

ইসিয়াক বলেছেন: হা হা হা..... এতো দেখি ভুত মিশ্রিত প্রেমের কাহিনী। তো যা হোক আপনের সেই প্রেমিকার আর কোন খবর লইছিলেন নাকি সে বিরহীনি রাধার লাহান পথ চাইয়াই জীবনডারে শেষ করছে :(

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন ইসিয়াক ভাই। গিয়েছিল ভূত দেখতে কিন্তু সেখানে প্রেম প্রবন মন যদি উর্বর জমি পায় তাহলে তো প্রেম না হওয়ার কোন কারন দেখিনা। পরের কাহিনী জানতে হলে আবার পোস্ট আকরে দিতে হবে। তবে রাধারা কখনো একা থাকে না, শূন্য হৃদয়ে কৃষ্ণ ঠিকই জুটে যাবে।
পোষ্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।
শুভেচ্ছা নিবেন।

৯| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১০:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ফুকিং দেই নাই। বুকিং দিসিলাম! ভুতের ভয়ে তো দেখি আপনের কথাও আউলায়া গেছে। যাই হোক, আমাদের এইখানে ভুত নাই। সো চিল!!! ;)

তাহলে দেখা যাচ্ছে, ওখানে ভুত সত্যি সত্যি ছিল। আপনি যেহেতু শিরোনামে 'গল্প' কথাটি লিখেন নাই, আমরা কি ধরে নিবো এটা একটা সত্যি ঘটনা? সেক্ষেত্রে হিরণ তো আপনার হওয়ার কথা না, সম্ভবতঃ অন্য কারো ঘটনা লিখেছেন। শেষের প্রেমের কারনে ভুতের জমাটি ভাবটা নষ্ট হয়েছে। তবে হিরণ-সুপর্নার প্রেমের কোন পরিনতি কি হয়েছিল......জানা গেল না!

বিশেষ দ্রষ্টব্য:- ভীতুর ভূত দর্শনের তিনটি পর্বে যারা মন্তব্য করেছিলেন- এই লাইন শেষে দেয়ার মানে কি? ভুতুড়ে কিছু? :P

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আমি কিন্তু ঠিকই দেখছি ফুকিং ই আছে। বুকিংকে কনফার্ম করলে ফুকিং হয় বলে জানতাম। খোঁজ নিয়ে দেখবেন ভুতুদের সমাজেও এমনটাই চল। আর ভূত দেখতে না পারাটা জীবনের একটা চূড়ান্ত ব্যর্থতা। আমাদের জীবনটা নানারকম উপলব্ধিতে গাঁথা।আপনি এরকম একটি মূল্যবান উপলব্ধি বা অনুভূতি থেকে বঞ্চিত হলেন। আপনার জন্য আমার সমবেদনা রইলো। আবার সরল মনে যদি একটু হাসাহাসি করি তাহলে তো বললেন ভিলেনের মত হাসছি। আমার সাদা মনে কাদা নেই। কারো দুঃখ দেখলে আমি দুঃখিত হয়ে পড়ি -এই সহজ সত্যটাই আপনার বোঝাতে চেয়েছি। হেহেহে.
আর জীবনের গল্প মনে কিছু তো অভিজ্ঞতা থাকবেই। সেদিন হাড় হিম করা ভূতের কাহিনী যেমন সত্য তেমনি প্রেমের কাহিনীটা অস্বীকার করি কেমনে। শুধু আপনাকেই চুপিচুপি বলি, কিছু লুকিয়ে চিঠি চালাচালি হয়েছিল কিন্তু পরে আর সম্পর্ক এগোয়নি। জায়গাটা সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা। জীবনে আর দ্বিতীয়বার যাবার কথা ভাবতে পারেনি।
শেষ লাইনে আপনার কৌতুহলী হওয়াটা স্বাভাবিক। এবার একবার চেক করে দেখে নিতে পারেন। সত্যিই ভুতুড়ে কান্ড কারখানা কিনা. ‌....

আপনার জন্য কোন ভৌতিক নয় বাস্তবেই শুভেচ্ছা রইল।

১০| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১০:১৬

পদ্মপুকুর বলেছেন: শেষ পর্যন্ত কি হয় জানার জন্য আপনার এই পোস্টের অপেক্ষায় ছিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে তাই প্রথমেই মোবাইলে শেষপর্ব পড়লাম। যদিও সুপর্ণার কোনো কারসাজি পাওয়া গেলো না, তবুও মিলনের গান বেঁজে উঠাতে ভালোই হয়েছে। ভুতের গল্প হলেই যে ভয়ে মরতে হবে, এমন কোনো কথা নেই।

ইসিয়াক বলেছেন: হা হা হা..... এতো দেখি ভুত মিশ্রিত প্রেমের কাহিনী। তো যা হোক আপনের সেই প্রেমিকার আর কোন খবর লইছিলেন নাকি সে বিরহীনি রাধার লাহান পথ চাইয়াই জীবনডারে শেষ করছে :(

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৫:১৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ অপরাহ্ন স্যার,

আপনি প্রত্যাশামতো এসেছেন ও আপনার মূল্যবান মন্তব্য রেখেছেন দেখে ভীষণ আনন্দ পেয়েছি। ধন্যবাদ আপনাকে। সুপর্ণা বাচ্চা মেয়ে। সবে যৌবনে পা দিয়েছে। বাড়িতে দাদার বন্ধুদের দেখে মনে একটু প্রেম জেগেছে। কাজেই তার মনে এসব দূরভিসন্ধি না আসারই কথা। একেবারে শেষে সামান্য হলেও একটূ মিলনের খোঁজ পেয়েছেন‌ জেনে খুশি হলাম। অন্তত একজন পাঠকের জন্য হলেও নিপাট ভৌতিক গল্পের শেষে একটু প্রেম দিয়ে মনকে হালকা করার প্রচেষ্টা তাহলে আজ সার্থক হল। তবে শুধু আপনার জন্যৈই খাঁটি ভূতের গল্প ব্লগে একদল পোস্ট করবো।
ইসিয়াক ভাইকেও ধন্যবাদ। চরম বিনোদনের একটি কথা বলেছেন।
পোস্টটিতে লাইক করাতে প্রেরণা পেলাম কৃতজ্ঞতা জানবেন।

নিরন্তর শুভেচ্ছা আপনাকে।


১১| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:৫৫

পদ্মপুকুর বলেছেন: আপনার এই লেখায় আগে মন্তব্য করেছিলেন ভার্সেটাইল ব্লগার কাউসার চৌধুরী। তাঁকে খুব মিস করি।

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সহমত আপনার সঙ্গে কাওসার ভাই একজন গুনী লেখক। যেহেতু ব্লগের বাইরে ওনার সঙ্গে আমার সম্পর্ক আছে, কাজেই লকডাউনের কারণে উদ্ভূত সমস্যা ও ব্যবসায় প্রচণ্ড ব্যস্ততা বৃদ্ধির কারণে ভার্চুয়াল জগতে সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে ব্যস্ততা কমলে আবার উনি নিয়মিত হবেন বলে জানিয়েছিলেন। কাওসার ভাইকে খোঁজ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার খোঁজ নেওয়াটা যথাস্থানে পৌঁছে দেবো।
শুভকামনা জানবেন।

১২| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৩৬

মুক্তা নীল বলেছেন:
দাদা ,
ভূতের গল্প পড়ে আমি খুব এক্সাইটেড ছিলাম আসল ভূত
কে ?আপনার দ্বিতীয় পর্বের বর্ণনাগুলো ছিল একটু ভয়ঙ্কর
তাই শেষ পর্বে এসে জানতে পারবো আসল ভূতের রহস্য।
দারুন হয়েছে দাদা ভূতের গল্প টা এককথায় চমৎকার।
আমি অবাক হলাম সুপর্ণাকে আমি সন্দেহের তালিকার
বাইরে রেখে ছিলাম, অথচ দেখেন সেখানেই আসল ভূত।
ভূতের গল্পের সাথে বোনাস হিসেবে পেলাম একটি মিষ্টি
প্রেমের গল্প । নিঃসন্দেহে আমি আপনার যে কোন গল্প
উপন্যাসের একনিষ্ঠ পাঠক ‌।
দাদা দেরিতে আসার জন্য আমি অবশ্যই ক্ষমাপ্রার্থী এবং
আপনার কাছে অনাকাঙ্খিত এটা জেনে আমার আরো বেশি
কষ্ট লাগছে।দাদা আমার মাইগ্রেনের সমস্যা আছে এবং এটি পুরাতন সমস্যা।মাঝখানে অনেক বছর ভালো ছিলাম কিন্তু
এখন সেটা আবার দেখা দিচ্ছে।
ভালো থাকুন দাদা, দোয়া করবেন।

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আগামীকাল সকালে এসে ভালো করে বোনের মন্তব্যের প্রতিউত্তর দেবো। মূলত অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ে কথা বলার জন্যই এই সাময়িক প্রতিমন্তব্য। পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই কয়েকজনের কমেন্ট আমার কাছে এতটাই কাঙ্খিত যে বিলম্বে আসাটার কারণে আমার অপেক্ষার প্রহর শুরু হয়.. এটাই আমি বুঝাতে চেয়েছি। ফোনের মাইগ্রেনর সমস্যার কথা জেনে বিষণ্ণ হলাম। সত্যি কত সমস্যা মানুষের আছে। তবুও উপরওআলার কাছে প্রার্থনা যেন এবং খুব শীঘ্রই আরোগ্য লাভ করে। শুভরাত্রি।

১৩| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৮

মা.হাসান বলেছেন: ভালোবাসার জন্য লোকে পাহাড় ডিঙায়, সাগর পাড়ি দেয়। আপনিই মনে হয় জগৎ সংসারে একমাত্র প্রেমিক যিনি ভালোবাসার জন্য পটি পর্যন্ত করে দিয়েছিলেন। জয় গুরু।

শাখা চিনি , নুরা পলা শাখা শব্দের সাথে পরিচিত না। সরু চুড়িকে কি পলা বলে?

অর্থনৈতিক ভিত ঠিক না থাকলে মানুষ অস্বাভাবিক আচরন করতে পারে। বাংলাদেশের অনেকে তো দেশ ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যে কামলা দিতে যায়, ৫০০ রিয়াল বেতনের চাকরি করে।মেসোমশাইয়ের আসার তাও সুযোগ ছিলো। অনেকেরই ফেরার ভাড়াটাও থাকে না। জীবন বড় নির্মম।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন যে ভালোবাসার জন্য লোকে পাহাড় ডিঙায়, সাগর পাড়ি দেয়। একদিকে ঠিক বলেছেন। তবে অন্য দিক দিয়ে ফলাফল যদি নিষ্ফল হয় তাহলে স্বর্ণ হরিণের পেছনে দৌঁড়ানো যে অনর্থক। সুনীল গাঙ্গুলীর কথায়,
"ভালোবাসার জন্য আমি হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়েছি।
বিশ্ব সংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে নিয়ে এসেছে 108 টা নীল পদ্ম।
তবুও বরুণা কথা রাখেনি।"কাজেই ফলাফল জানলে এনজয় গুরু এনজয় গুরু।
হিন্দু বিবাহিত নারীরা হাতে তিন রকমের চুড়ি পরে। শাখাতো চেনারই কথা।শঙ্খ থেকেই হয়। অন্য দুটির মধ্যে লোহার চুড়িকে নোরা বলে। আর লাল রঙের প্রবাল( সামুদ্রিক প্রাণী) যা থেকে পলা তৈরি হয়। তবে শঙ্খ অরিজিনাল পাওয়া গেলেও প্রবালের দুষ্প্রাপ্যের ফলে তার জায়গা দখল করেছে মনুষ্য তৈরি লাল রংয়ের ফাইবার। আধুনিক নারীরা অবশ্য পলার ওপরে সোনার রিং বাঁধিয়ে নেয়। এগুলো দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। পাশাপাশি নোরা পরিধান করাটাও শহুরে মহিলাদের কাছে অপাংক্তেয় হয়ে গেছে।

বিদেশে কামলা দেওয়ার করুন কাহিনী উপমহাদেশের এক কমন চিত্র।ক্ষেত্রবিশেষে বিদেশে গিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার ঘটনাও মাঝে মাঝে নজরে আসে। তবে বাংলাদেশে সহায় সম্বলহীন নারীরা ভয়ংকরভাবে একটা অসাধু চক্রের শিকার।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বিদেশে সর্বস্বান্ত হলে দেশে ফিরে আসাটা যে কোন দেশের নাগরিকদের পক্ষে একটা ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।
ভারতের প্রয়াত প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এরকম বহু বিপদগ্রস্ত মানুষকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পেরেছিলেন। তবে সবাই এরকম সার্চলাইটের আওতায় আসতে পারে না। তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।
তবে দেশের মধ্যে বিপদে পড়লে একটা না একটা হিল্লে হয়েই থাকে।
বরাবরের মতো চমৎকার মন্তব্যে মুগ্ধতা।
শুভেচ্ছা প্রিয় মা.হাসান ভাইকে।

১৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৭:১৮

রাকু হাসান বলেছেন:

আগে পোস্টটা মিস করেছিলাম।বলতে পারি আগের চেয়ে বর্তমানের তোমার লেখা শ্রেয়।আগেরটার যে খারাপ এমনটা নয়,মানে কাছে এটা লাগলো।ভুলও হতে পারে টাঠক হিসাবে

১৯ শে অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অনেকদিন পর ব্লগে তোমায় দেখে খুশি হয়েছি। ধন্যবাদ প্রিয় ছোট ভাইকে।
সহমত তোমার সঙ্গে যে পরের লেখাটা আমারও ভালো লেগেছে।
আবার ধন্যবাদ তোমাকে।
শুভেচ্ছা প্রিয় ছোট ভাইকে।

১৫| ০৭ ই মে, ২০২১ রাত ১১:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: যাক, রহস্য কিছুটা উন্মোচিত হলো তাহলে! তবে ভুতের অভিজ্ঞতার চেয়ে কলমে গোঁজা চিরকুটের কথাগুলো কম আকর্ষণীয় হয় নি। এর পর হয়তো আসল ভুতটাই আপনার ঘাড়ে চেপে বসবে, মুক্তা নীল যেমনটি বলেছেন:
"আমি অবাক হলাম সুপর্ণাকে আমি সন্দেহের তালিকার বাইরে রেখে ছিলাম, অথচ দেখেন সেখানেই আসল ভূত"

পোস্টে দশম ভাল লাগা + +।

০৬ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আপনার কমেন্টটি যে করেই হোক চোখের আড়ালে চলে গেছিল। দুঃখিত স্যার ।

যাক, রহস্য কিছুটা উন্মোচিত হলো তাহলে! তবে ভুতের অভিজ্ঞতার চেয়ে কলমে গোঁজা চিরকুটের কথাগুলো কম আকর্ষণীয় হয় নি।"- ঠিক তাই। ভালো কথা বলেছেন স্যার। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

ছোটবোন মুক্তানীল খুব ভালো কমেন্ট করেন। বিভিন্ন পোস্টে উনি ওনার বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন। আপনার হয়ে ওনাদের উদ্দেশ্যে রইলো অসংখ্য ধন্যবাদ।

শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা স্যার আপনাকে।


আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.