| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সালমান মাহফুজ
সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা সেই কৈশোর থেকেই । মাঝে মাঝে লিখতেও চেষ্টা করি । যেই সাহিত্য আমাকে ধরেছে, সেই সিলেবাস আমাকে দূরে সরিয়ে দিছে । সুতরাং একাডেমিক কন্ডিশন চরম বাজে । প্রচণ্ড অলস এবং অসামাজিক । নিজের কাজের প্রতি চরম বিশ্বাসহীনতা । মাঝে মাঝে সবকিছুকেই অনর্থক ফাও ফাও মনে হয় । এমনকি বেঁচে থাকাটাও । তবুও বেঁচে আছি । কেন ? জানি না । শুধু জানি, কিছু একটা করতে হবে । কী সেটা ? তাও জানি না । মানবজন্মটাকে এভাবে বৃথা চলতে দেয়া যায় না, এই ভেবেই বোধোহয় আরেকটু বাঁচবার লোভ হয় ।
ফেসবুক দিন দিন লেখালিখি কিংবা সাহিত্যচর্চার একটা অনুপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠছে । ভাষা কিংবা বানানব্যবস্থার যে বিকৃতি লক্ষিত হয়, তা দেখেই কিছুটা টের পাওয়া যায় । ভাষাকে সে...
যদি কোনোদিন মাটি আমার পদাঘাত আর না মানে
যদি বুঝে যাই বিদ্রোহের আঁচ অনুমানে
তবেই আমি পাখি হব, উড়ে যাব
পাখায় নিয়ে জীবনভর
বিষাদগ্রস্ত স্মৃতির জ্বর
আমি উড়ে যাব, যদি কোনোদিন রাগে কিংবা অভিমানে
পদতল থেকে...
তোমাদের সমস্ত আরামের দামে
আজো আমরা কিনতে পারে নি
একজোড়া সুখের পায়রা
এত ঘাম, এত এত রক্তের বিনিময়ে এতকাল ধরে
শুধু ক্ষুধার আগুন জ্বেলেছি, আর নিভিয়ে দিছি
বেঁচে থাকার উত্তাপ; সত্যি বলছি—
তোমাদের পুষ্পশয্যার তলে
দু-চারটা...
যদি কোনোদিন খুব ভোরে তোমার মনের চরে
বিষাদের বৃষ্টি নামে, আমি কোনো বাঁধা মানব না
সোজা স্রোতে ভেসে যাব । যদি কোনোদিন ভুল করে
ভালো আমায় বেসেই ফেলো, আমি আর ভাসব না
ডুবে যাব,...
জীবনের স্বাদ জিভ থেকে খসে বসে আছে বিষাদের শূলে
সুতরাং আমাকে আত্মহত্যা করতে হবে !
তবে আত্মহত্যা করার আগে আমি ঈশ্বরের বাহু থেকে
ছিনিয়ে আনতে চাই অমরত্বের তাবিজ;
অলৌকিক অন্তর্বাস থেকে চুপে চুপে
চুরি করে...
জীবনের গলিপথে ভিড় জমে আছে;
মুমূর্ষু স্বপ্নের ভিড়— হাওয়ার চাবুকে
ধীরে ধীরে অনেকের নিঃশব্দতা ভাঙে,
কারো নিভু নিভু চোখে টলমল করে
শান্ত গোধূলিবেলার শেষ আলোটুকু;
অস্ফুটিত আর্তনাদ বুকে বেঁধে নিয়ে
কেউ কেউ ক্ষেপে উঠে দৃঢ় প্রতিজ্ঞায়—
‘বাঁচতেই...
মারো, নইলে মারা খাবে
একে একে সরে যাবে
সব ছায়া, সমস্ত আশ্রয় ।
আমি চাই নি কখনো
আমি চাই না এখনো
মধ্যপথে চাকাহীন গাড়ি হয়ে
নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকুক জীবন
কিংবা কাকতাড়ুয়ার মত
রোদের চাবুক মুখ বুজে
সয়ে যাও, মেনে...
এই সকালের অনুভব, শরীরের আলিঙ্গনে শরীর
বিমুগ্ধ জানলায় হঠাৎ সতেজ রোদের চিৎকার
যেন ভেঙে চুরমার করে দিছে অবসাদের চার দেয়াল !
আমি ছিঁড়ে ফেলেছি সমস্ত ফুলের শেকল
মাতাল প্রজাপতিটা এবার দেয়ালের মায়া ছেড়ে আসুক
বসুক,...
নারীবাদী মঞ্চে পাঁচটা পাপেটের অনর্গল চিৎকারে
কবির চোখে নিদ্রা নামে । সেমিনার রুমের যান্ত্রিক হাওয়ায়
দুপুর দুটা থেকে বিকেল চারটা--
ভিজে ভোরের স্তব্ধতা আর নিশাচর রাত্রির প্রলাপ ।
বিষণ্ণ আঁধারের বাঁকে বাঁকে লেজে মাথায়
ঝুলে...
আমি ক্রমশ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছি আমার ভেতর
হৃৎপিণ্ডে বসে বিন্দু বিন্দু হিসাব কষে পোড়া রক্ত
মগজের অন্ধকারে মারা খাচ্ছে বিবেক, মারা খাক
প্রেম-প্রীতি, গুহামানবের আদিম আবদার
আর স্বপ্নের যাত্রাপথে টলমলরত...
নাগরিক ভালোবাসার দেয়াল ঘেঁষে
যে বৃক্ষ স্বপ্নের ডালপালা মেলতে চায়
তাকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দাও ।
তার শিকড়ে পুঁতে দাও হৃদয়ে যত রাখা আছে
কষ্টের কার্বন, সে নির্দ্বিধায় হজম করে নিবে
ভোর হলে টুপটাপ...
আমি তো এমন জীবন চাই নি;
যেখানে শুধু স্মৃতি আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা
আকাশে তাকালে, ছোট বড় সব আকাঙ্ক্ষা
সাদা মেঘের কাফনে ঢাকা!
যেখানে সকাল হলে, তাজা রৌদ্রের ভিতর
তোমার হাস্যোজ্জ্বল মুখের বদলে দেখি,
একটা পাতাঝরা...
নিষিদ্ধতার চাবুকে ক্রমাগত
ক্ষয়ে যাচ্ছে, ঝরে যাচ্ছে, রক্তাক্ত হচ্ছে
অলৌকিক লৌহদণ্ডে ঝুলন্ত
আমাদের যাপিত জীবনের ফাঁসগুলি—
আমরা বুঝে ফেলেছি, চলমান
পৃথিবীর ইস্পাতি ছদ্মবেশ!
বরফ-বরফ যুদ্ধে পরাস্ত পাখিরা
যখন ডানায় করে কিছু শুভ উল্লাস নিয়ে
আমাদের নগরে বেড়াতে আসে
তখনও...
(১)
সেইসব শীত-বিকেলের জানালায় মাঠজুড়ে
আজো সূর্য তার লাল আকাঙ্ক্ষার দাগ কাটে;
আজো আমার ব্যথিত চোখে শীতার্ত পাখিরা উড়ে
ঠোঁটে সিগারেট জ্বলে, স্মৃতিগুলো পোড়া রক্ত চাটে!
(২)
সমস্ত প্রত্যাখ্যানের ক্ষত চাঁদের নগ্ন শরীরে
আমি লেপ্টে দিতে চাই,...
লিওনেল, রোজারিও থেকে ঢাকা । বার্লিন থেকে নিউইয়র্ক । ২০০৬ থেকে ২০২৬ । উড়ন্ত কৈশোর থেকে পড়ন্ত যৌবন । ফুটবল পায়ে তোমার প্রতিটা পদক্ষেপের সাথে আমরা ছিলাম । আমরা...
©somewhere in net ltd.