| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইদানীং/ আবছা রোগে মরে যায় বইয়ের পাতা/ ক্যালেন্ডারে নকশা আঁকে প্রাক্তন প্রেমের দাগ/ বাগানের ফুল চুরি করে যায় আবেগহীন গুবরে...
মেঘবতী,
যদি কোনো ভয়াবহ দাবানলে
পুড়ে যায় বুক। তাহলে কী হবে?
তাই পুরো বুক জুড়ে তোর নাম বড় করে নয়,
বুকটাকে অসংখ্য ভাগ করে, অসংখ্যবার লিখে দে।
মেঘবতী,
ঈশ্বর ঘুমিয়ে গিয়েছিলেন অর্ধ সমাপ্ত সৃষ্টি রেখে।
সেই আধেক "আমি" হয়ে জন্মালাম।
ঘুম থেকে উঠে বাকি অর্ধেক সৃষ্টি করলেন।
সেই আধেক "তুই" হয়ে জন্মালি।
তাই, এ জীবনে "আমি" আর "তুই" এক না হলে,
পূর্ণতা...
আর যাইহোক, আজকের ঘটনাতে বেশ অবাক হয়েই তাকিয়ে রইলেন কফিল মিয়া। প্রায় ষাট বছরের জীবনে আর যাইহোক, এভাবে কেউ মুখে ঝামা ঘষে দিতে পারেনি। বাবার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন দুইটা চারতলা...
মেঘবতী,
এরপর থেকে শীত নেমে গেছে শহরের বুকে,
তবুও ঢাউস সূর্যটা মায়া বাড়িয়ে যায়।
সবাই সবার মত গরম কাপড় মুড়ে আড়াল করছে নিজেকে,
মোটা গরদে ঢেকে, স্বার্থপরের মত পাহারা দিচ্ছে উষ্ণতায়।
মাঝে মাঝে জানলার গ্রিল ধরে মন খারাপের ভান ধরে বসে থাকতে ইচ্ছে করে আজকাল। ভুল দরজায় কড়া নেড়ে গেছে নভেম্বরের বৃষ্টি , পাহারাদার ভিজতে ভিজতে সর্দি-গর্মিতে কাশছে। মেঘেরা কফি খেতে...
মেঘবতী,
না বলে কয়ে দিনগুলো ছোট হয়ে যাচ্ছে আজকাল,
আর রাতগুলো বেপরোয়াভাবে বড়;
ফেসবুকের সময় না বলে কয়ে হুটহাট চলে যায়,
কিন্ত বাস্তব জীবনে পাচ্ছি না কোনো অবসর।
মেঘবতী,
ফুলের মরশুম শেষ হলেও সেই গাছ
আগাম বছরের জন্য রেখে দিতে হয়,
সব জেনেও, সব প্রাকৃতিক তত্ত্বকথা মেনেও
তোর হৃদয়ে আমার ছিল না আশ্রয়।
মেঘবতী,
এরপর ঈশ্বর ভিজে ভিজে আগুন পোহানোর ছলে
কোথাও না কোথাও আগুন দিয়েছিলেন জ্বেলে।
রোম পোড়ে নিরো বাঁশি ফোঁকে ছোটবেলায় জেনেছিলাম,
কে কার ঘর পোড়ায়, এবার বাস্তব জেনে নিলাম।
ভাতঘুম শেষ হয়ে গেছে। এখন...
মেঘবতী,
দিন শেষে সূর্যমুখীর মতো নেতিয়ে পড়ি,
এ তল্লাটে আজকাল বেশ রোদ হয়।
আমার ক্লান্তি দেখে হাস্না হেনারা হাসে
রোজ রোজ তাদের সাথে কথাতেই রাত কেটে যায়।
ইদানীং আর ভাল্লাগেনা তুই ছাড়া
এ শহরে সময় চলে খাপছাড়া।
তেলাপোকা আর ইঁদুরকে দিয়ে লিজ
তোর শখের ঘরটাতে আজ আমিই সর্বহারা।
মেঘবতী,
ইদানীং মেঘেরাও ডাকে করে চিঠি পাঠায়,
তাদের শহরে নাকি নেটওয়ার্ক নেই।
সেই বিয়ারিং চিঠির ডাকমাশুল আর রশিদে একদিন
ভরে যাবে জানলার খোপ।
মেঘের আড়ালে মুখচোরা সূর্যটা উঁকি দিচ্ছে পর্দা দেওয়া কাঁচের ভেতরে, কাঁচের ভেতরে এসির তাপমাত্রা কত সেটা বোঝা আজও হয়নি তার! পিচ রাস্তায় জমে যাওয়া জলের নিচে ছিদ্রটা ক্রমশ বন্ধ হয়ে...
সকালের রোদ্দুরটা মাথা নিচু করে হাঁটছিল। নির্জন কিংবা জনাকীর্ণ যাইহোক না কেনো, আমাদের এদিকটার শুভাকাঙ্খীদের মনের ভেতরের স্পিডব্রেকারগুলো একটু বেশিই উঁচু। একটু সামলে না চললে টকাস করে হোঁচট খেতে হয়।...
বিকেলের হলুদ আলোটা কিছু বলবে বলে বার্তা নিয়ে এসেছিল। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববারের জ্যামে নাকি আটকে গেছে। একই আকাশের নিচে থাকা রোদ, একই আকাশের নিচে থাকা আলো জ্যামের ফাঁকফোকর গলে...
এমন কোনো ফরমালিনের সন্ধান দিতে পারবেন কেউ, যা দিয়ে মধ্যবিত্তের স্বপ্নগুলোকে অনেক দিন টাটকা রাখতে পারি?
©somewhere in net ltd.