| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইদানীং/ আবছা রোগে মরে যায় বইয়ের পাতা/ ক্যালেন্ডারে নকশা আঁকে প্রাক্তন প্রেমের দাগ/ বাগানের ফুল চুরি করে যায় আবেগহীন গুবরে...
শেষরাতের দিকে একটু করে বাতাস এসেছিলো, ঠাণ্ডা বাতাস। পায়ের কাছের কাঁথাটা টেনে নাকে মুখে দিয়ে আরেকটু ঘুমানোর আয়োজন করছিল। কিন্তু অনেকদিন ব্যবহার না করা কাঁথার কাপড়ে একটা বোঁটকা গন্ধ, কেমন...
হঠাৎ করে বৃষ্টি এসে যাবে ভাবতেও পারেনি সে। অবশ্য বৈশাখের বৃষ্টি আষাঢ়ের মতো ঢাক ঢোল পিটিয়ে আসে না এটা সে জানে। ছোটবেলা থেকেই পরিচিত। অতীতের পৃষ্ঠা উলটানো পাতাদের ভিড়ে হঠাৎ...
ল্যাম্পপোস্ট। সাদা আলো। দাঁড়ালো, ছায়াটা যেখানে শেষ। পা ঝুলিয়ে দিয়ে বসে পড়লো। সামনে কাক কালো জল। নানা রঙের আলো, ছিটকে ছিটকে নিজেকে খুঁজছে। যেমন অন্ধকারে কলুষিত প্রেমিক উত্তপ্ত করে চলে...
ইদানীং কিছু ব্যাপার নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে সে। নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ হঠাৎ মাথায় এসব ঢুকে যায়। অফিসের যাওয়ার সময় রাস্তার পাশেই যে নার্সারি স্কুলটা, সেখানে বাচ্চাকে স্কুলে দেওয়ার জন্য হঠাৎ...
ঘটনাটা অন্য রকম ঘটতে পারত।
তার জন্ম হতে পারতো সোনার চামচ মুখে নিয়ে। রূপোর থালায় মা তাকে খাবার খাওয়াতেন। চাকর-চাকরানীর একোল-ওকোল বদল করে সে হতে পারতো অনেক খেলনার মালিক। আধো মুখে...
সূর্যটা তার বাড়ি যাবে বলে যেদিকে হেলে পড়ে, অফিস শেষে সেদিকটাতেই মুখ করেই হাঁটতে হয়। জ্যামে চিঁড়ে-চ্যাপ্টা হওয়ার চেয়ে হাঁটতে হাঁটতে খারাপ লাগে না। মাঝে মাঝে একটু একটু বাতাস...
Every day cannot bring rain. কথাটার অর্থ হওয়া উচিত ছিলো প্রতিদিন বৃষ্টি হয়না। আগের দিন সারাদিন মাথার চাঁদি ফাটানো গরম আর রাতের বেলা ঝুম ঝুম বৃষ্টি। বাইরে ঠান্ডা আর ঘরের...
পাবলিক বাসগুলোর মধ্যেও এক ধরনের অলিখিত শ্রেণীবিভাগ আছে, এতদিন খেয়াল করেনি সে। অপেক্ষাকৃত বড়, এক পাশে তিন সিট বিশিষ্ট বাসগুলো মোটামুটি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যাদের হয়তো গাড়ি কেনার সামর্থ্য থাকলেও পুরো...
কোনোমতে জুতাটা পায়ে গলিয়ে বেল্টটা হাতে নিয়ে ছুটছে। আরেকটু দেরি হলে সেই তাকে দেখতে পাবেনা। প্রতিদিন ঠিক সাড়ে আটটায় গেট থেকে বের হয়। অতক্ষণ গেটের পাশের দোকানটায় দাঁড়িয়ে চা-সিগারেট খায়...
ঘড়িটা বেরসিক ছিলোনা, রাতে এলার্মের সুইচটা অন করে রাখাতেই সকালের আরামের ঘুমটাতে চিৎকার বসালো। অনেকটা রূপকথার গল্পের সেই সৎ মায়ের মতো।
বাথরুমের বালতিতে বেশি পানি ছিলোনা, যতটুকু ছিলো তাতে অন্তত গোসল...
মধ্যবিত্তের নাগরিক কথন-০
সারা গ্রামে একটাই টেলিভিশন। উঠান জুড়ে মানুষ দেখছে বাংলা ছবি। শীতের সূর্যটা টুপ করে বিদায় নিল। মানুষের পিছনে, এক নারী এদিক ওদিক হাঁটছেন। আর মানুষের ভিড় লক্ষ্য করছেন।...
বিক্রি হবে,
সময়, প্রেম আর অভাবের আগুনে ঝলসানো
একটা হৃদয় বিক্রি হবে।
বাড়তি আগুন লাগবে না আর।
বিক্রি হবে,
আজীবন কষ্টের সুরে পোড়া কয়েকটি বাঁশি বিক্রি হবে।
বাড়তি দু:খ লাগবে না আর।
বিক্রি হবে,
চৈত্রের রোদে পুড়ে পুড়ে...
রাস্তার পাশে যে প্রায় প্রৌঢ়া মহিলাটা বয়সে তরুণ রিক্সাওয়ালা ছেলেটার সাথে জমিয়ে কথা বলছে, সে কি জানতো এই নির্লজ্জ শহরটার বুকে এরকম গল্প বলার লোক ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে, কিন্তু...
বুক পকেটে মরচে ধরা পাঁচ টাকার নোটটির গায়ে ন্যাপথালিনের গন্ধ। স্কুল পালানো ধূসর বাতাসগুলো পোড়োবাড়ি খোঁজে, অবেলায় বেহিসেবি খরচ হয় দীর্ঘশ্বাস। রাস্তার ধারে ভাজাপোড়ার দোকানে বিক্রি হচ্ছে ঘামে ভেজা তেলে...
নীল রঙয়ের কৌটোটা নিজের সমস্ত দুঃখ মুছে দিয়ে সাদা হতে চেয়েছিল।
কিন্তু বর্ণহীন পানি তাকে ধুয়ে নিজেকে নীল করতে চাইছিল না। শেষ মেশ রেগে গিয়ে আকাশে লাফ দিয়ে ছড়িয়ে পড়ল...
সেই...
©somewhere in net ltd.