![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অদ্ভুত দুনিয়ার অদ্ভুত মানুষ! কি বিভৎস আবার কি সুন্দর! আমি তিন নম্বর টাইপের লোক যার কাজ তামাশা দেখতে থাকা মানুষগুলোকে দেখা, বাকি দু টাইপ তো তামাশা করা আর তামাশা দেখায় ব্যস্ত।
দেখতে দেখতে পঞ্চাশ বছর পর, যৌবনের দ্বার প্রান্তে দাঁড়িয়ে মধ্যবয়সের দিকে উকি দেয়া স্বাধীন বাঙলার তৃতীয় প্রজন্ম আপনা হতেই দায়িত্ব পায় স্বাধীনতাত্তোর হিসেব নিকেশ কষার। এমন গুরুদায়িত্বভারে নুজ্ব্য যুবাকে ব্যাতিব্যস্ত...
কান পেতে শোন সাম্রাজ্যের পতনধ্বণি,
শ্রুতিমধুর আবৃত্তি নয় বরং উন্মাত্ত শোসিতের চিতকার,
সহস্র চিৎকার শোষণের দেয়ালে প্রতিধ্বণি তোলে,
কম্পমান সিংহাসনে দস্যু একনায়কের অহমিকা।
কিসের এত গর্ব তোমার?
রক্ত পান কর তুমি।
কিসের এত অহংকার?
তৈলাক্ত মানুষরূপি জন্তুর...
তোমার উষ্ণতায় সিক্ত গোটা সব কিছু,
তোমার অবারিত স্নিগ্ধতায় মুগ্ধ আমরা ক\'জন।
ক্লান্ত প্রেম, ঘুমন্ত ছায়া;
মুখ তুলে তাকিয়ে দেখি জ্বলজ্বলে বিশ্ব প্রদীপ,
চঞ্চল হাওয়া, বেফাস চাওয়া;
আমাদের এক্কাদোক্কা শহরে তাই তোমার খোজ।
নিবিড় আলিঙ্গন খুজি,...
তোমার মুখের আধেক হাসি,
আর লাল টিপের নীচে চিরল চোখ,
ভালোবাসি ঠোটের ফাকে আটকে থাকা চুমোর ঝোক।
হাটবো আজকে হাত ধরে,
তোমার সাথে সাগর তীরে।
হাটবো আজকে একসাথে,
দীঘল এই বালু চরে।
আসো না, আসো
স্বপ্নে দেখো, গভীর...
একজন নিম্মৃত কবির বুকে আধোঘুম পরীর কপাল,
ফাগুন হাওয়ায় আগুন লাগে তার কেশে
কৃষ্ণচূড়ার লালিমায় রক্তিম ঠোট ডাকে,
স্পর্শের ক্রন্দনে হৃদয় কম্পমান।
আজকে শিমুল তলায় অনেক গুলো কৃষ্ণচূড়া,
কালকে সেখানেই হবে হয়তো কবির সমাধি,
বেদনার মুক্তো...
তোমার লোভে উৎসুক পিপিলিকার মিছিল,
উপচে পড়ে কামনার বাজারে,
তালিকাভুক্ত খরিদদার চলে যায় শেষ লাইনে।
অনাবৃত, চকচকে দেহে এ কিসের দাগ?
একি সেতো নিষিদ্ধ পাপ!
এ\'তো মহাপাপ!
সফেদ মনে তোমার ধোয়া;
এখন শ্বাসরূদ্ধকর বিষাক্ত বাতাস,
বাচতে হলে তোমারই...
একটা রুদ্ধ দ্বার,
তার পেছনে লুকিয়ে থাকে রুদ্র অনুভূতি,
আকাশ পাপী তাকিয়ে দেখে নেই কিছু নেই।
আবার, আরো একবার ডাক দেয়,
পেছন থেকে দেয় উকি,
নষ্টের ফেরিওয়ালা করে কষ্টের সওদাগিরি।
উন্মুক্ত বক্ষা ভূমিতে ফুটছে রজনীগন্ধা,
হাওয়ায় ভাসে...
আমি জনম মরা, মরে গেছি অনেক আগে,
আমি মাতাল ছোঁড়া, শুরার পেয়ালায় চুমু দিয়ে।
আন্ধার রাতে দেখি ঝলমলে উল্কা,
তাতে যেন কার দেহ পুড়ে।
বাতাসে রুদ্রাক্ষের গন্ধ,
মেরা ফেলা মিষ্টি সবুজ ঘাসে শিশির জমতে থাকে।
ক্লান্ত...
চলনে বলনে,
কি নিদারুণ দোলনে;
কোমরটা নাচিয়ে,
নিতম্ব দুলিয়ে।
কপালে সাদা টিপ,
টুকটুকে লিপস্টিক;
আঁচলের ফোকরে,
কিছু নাই আড়ালে।
খোলামেলা কোমরে,
বাসন্তী বাতাসে;
এলোমেলো খোলা কেশ,
আরো চাই বেশ বেশ।
হ্যালোজেন ল্যাম্পপোষ্ট আমার সস্তা দামের জোছনা,
প্রতিরাতে মাখি সে স্নিগ্ধতা।
কৃত্রিম মেঘ বানাই ভলকে ভলকে ছাড়া সিগারেটের ধোয়ায়,
ধোয়াশা ধোয়াশা আবহে,
গাড়ির হেডলাইট যেন স্বপ্নের জোনাকি।
ছাই ফেলি টোকা দিয়ে,
অবাঞ্চিত ছাই, উড়ে এসে পড়ে আমারি...
গালে হাত দিয়ে জানালায় বসে আছে মাধবী
অনেক দিনের অপেক্ষা তার,
পেজা মেঘে ভর করে বহুদূর পাড়ি দিয়ে আসা আলবেট্রসের অপেক্ষা।
আমি দূরে প্রশান্ত মহাসাগরে অশান্ত ঢেউয়ের সাথে ঝগড়া করি,
আর কতদিন?
আমার কামরার খোলা...
সন্ধ্যা বেলা চা পানরত অবস্থায় পুরনো স্মৃতিচারনের শৌখিনতা আমার নতুন। সেই নতুন শখের দাস হয়ে আজ স্মৃতি রোমন্থনকালে মনে পড়লো সাবিতা ভাবীর কথা।
ভরা দেহ, কালো কোমর অবধি কেশ, কাঠালের কোয়ার...
শোন না মাধবী, স্বপ্ন দেখবে? চল দেখি।
মাধবী নাটাই ধরবে, ঘুড়ি ওড়াবো একসাথে।
এই মাধবী, মাধবী; এই মাধবী শোন না।
আচ্ছা জেগে আছো তুমি?
মেঘডানায় ভর করে পেজা পেজা কালো মেঘ দেখ কেমন করে...
আর্দ্র অনুভূতি বলছে ভিজছে নগরী
সূর্যের অগ্নি ঘাম ঝরে ঝর ঝর,
মেঘের নৃত্যে ভরতনট্যমের ছোয়া।
আলোয় আলোয় স্ট্রাউসের সুর-লহমা কে করছে মাহেন্দ্রক্ষণ।
কে চায় অন্ধকার নিশীথির শুরু কিংবা রুক্ষ স্নিগ্ধতার শেষ?
উর্ধ্ব পানে তাকিয়ে জমিন...
পিলু ক্যাফে। বিক্রিত পণ্য: চা, বিস্কুট, সিংগারা, পেয়াজু এবং জিলাপী। টেবিল সংখ্যা পাচটে, প্রত্যেক টেবিলের সাথে তিনটে করে চেয়ার। টেবিল চেয়ার সবই প্ল্যাস্টিকের। কাউন্টারে একটে নব্বই দশকের টেপরেকর্ডার আছে তাতে...
©somewhere in net ltd.