| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অতন্দ্র সাখাওয়াত
তন্দ্রাকুমারী একটি কাল্পনিক চরিত্র যার সন্ধানে আছি নিশিদিন!!
জন্মেই দেখি কী বিশাল লাইনে দাঁড়ানো,
তার শেষেই দাঁড়াতে হয়েছে আমাকে।
অপেক্ষাতেই জীবন কাটে চিরদিন,
অপেক্ষাতেই মৃত্যুর বীজটা লুকানো।
কখনো অপেক্ষার শুরু নারী থেকে,
কখনো ডাক্তার, শিক্ষক বা উকিল —
লাইনের সামনে চলে আসার কী আগ্রহ!
কখনো...
ও যখন খোলা চুলে দাঁড়ালো ওখানে,
দূর থেকে এই দিকে হঠাৎ তাকালো,
ওর চোখে পড়ে রোদ তীব্র ঝাঁঝালো,
মনটা মৃদু কাঁপে অজানা টানে।
মৃত্যু ডাকছে যেন ভীষণ ঘ্রাণে,
এত বেশি উষ্ণতা সহনীয় বলো!
নিজেকে প্রশ্ন করি,...
তোমার বোধের সাইক্লোন
তোমার উদ্দাম চলে যাওয়া
আমায় নিঃস্ব করেছে বারবার।
বুকের খাঁচায় গোলাপি ঘ্রাণ নেই
তবু সারাক্ষণ অনুভবে ভাসে—
অন্ধকারে ম্লান মুখ তোমার।
আমাদের অবাধ্য শারীরিক স্পৃহা
দৃষ্টির যত ইন্দ্রজাল ভেঙ্গে-চুরে
পরস্পরকে আহ্বান চুম্বকীয় টানে
সারা রাত...
পৃথিবীর সব আলো তোমায় কেন্দ্র করে
ঘুরতে থাকে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়-
তোমার ছায়া পড়ে আমার উপর;
তোমার শরীরের ছায়া,
তোমার ছায়ার শরীর,
আমাকে বেঁধে রাখে তোমার আয়নায়।
আমার ভীত কম্পমান হাত
শুধু তোমার হাত খোঁজে।
তোমার কোমল সত্ত্বায়...
বন্ধ দরজার দিকে তাকাই
যেন কবিতার বইয়ের পচ্ছদ,
দরজা খুললেই বিপুল বিশ্ব-
অসীম এক কবিতার বিস্তার
দেখা যাবে একটু পরেই।
আমি সন্তপর্ণে দরজা খুলি,
গৃহত্যাগী হবার মত জোছনা
ডাকছে আমাকে তীর্যক শোক।
তারপর নগ্ন পায়ে বের হই
প্রবেশ করি...
ব্যর্থ বুকে ব্যথার অর্বাচীন বিন্যাস,
দ্বিধাহীন অশ্রুর সমন্বিত চাষবাস।
দ্যর্থহীন আহ্বান পূর্ণ চাঁদের তলে,
ওয়েসিস থেকে ক্যাকটাস বনে
ঘুরে ফেরা অপ্রয়োজনীয় কথা।
শরীরের অনুভূতিরা ভোঁতা নয়—
দু-ধারী তলোয়ারের মতো তীক্ষ্ণ।
সংবেদনের অভিধান ভুলে ভরা,
সঙ্গী বানাবার পথটা কণ্টকিত।
অন্ধকারে...
চেতনার দেয়াল ভেঙে অন্ধ সে
ছুটে বেড়ায় পাহাড়ে পাহাড়ে
বৃদ্ধ দাড় কাকের মত নিশ্চুপ-
অথচ কত কথা শিরায় শিরায়।
মাটির চাদরে ঢাকা পৃথিবীর লজ্জা
শিরদাড়াবিহীন বিমূর্ত উৎসবে মগ্ন
পৌষের ইঁদুরের মতো দৌড় মারে
চোখ তার আকাশের...
নিরব আঁধারে পড়ে মনে
মহান মৃত্যু—একাকীত্ব।
প্যারাডক্সের শিকল ভেঙে
একটি সামাজিক শরীর
নির্মোহ এগিয়ে চলে।
দিঘল চুলে বেহুলা নেচে যায়,
গলায় ঝুলন্ত ক্রুশ,
হঠাৎ ডুবে যায় সালাতে,
ভাসমান ত্রিপিটকের সুর,
আবার অন্য মত—
সমন্বিত শরীর চলছে
গন্তব্য একটাই;
হাহাকার জাগানো পথ!
সে পারবেই-
ডিঙোতে...
সে দাঁড়িয়ে আছে,
চোখের আড়াল থেকে আরো আড়ালে,
মনের আড়াল থেকে আরো আড়ালে;
স্মৃতির দেয়ালে শুনতে পাই
তার নিঃশব্দ ডাক—
যেখানে আজ ছড়ানো কত কুৎসিৎ কালো দাগ।
প্রতিদিন বাড়ছে ধার-দেনা,
সুদের সুদ,
আমি নই কারো...
ভালবাসাহীন মানুষ শুধু দীর্ঘশ্বাস
সে কেবল এক টুকরো ঘাস
সে কেবল একটি বালুর কণা।
যদি কারো ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা থাকে
সে সমস্ত রহস্য এবং জ্ঞান বুঝতে পারে,
যদি তার এমন বিশ্বাস থাকে-
যা...
রাস্তায় পড়ে থাকা প্রতিটি উদাস ধুলি কণা জানে
প্রতিটি গাছের ফুল-ফল-মূল, বীজ-পাতা জানে
প্রতিটি রঙ, প্রতিটি হাসি-কান্নার অনুভূতি জানে
এই চিরন্তন জীবনের অদ্ভুত প্রবাহের শেষ মানে।
জীবন মানে সদা নিশ্চিত অনিশ্চয়তার চাষবাস
জীবন মানে...
কত দিন পরে আমি সেই গানটি শুনতে গিয়েও
শুনলাম না—কারণ তুমি এটা পছন্দ করতে!
তবু গানটার সুর মাথায় ঘুরপাক খায়,
আমি বারবার তা ভুলে যেতে চাই,
হয়তো ভুলে যাওয়া কঠিন,
কিন্তু আমি যেহেতু তোমাকে...
তোমার কোমল হাসি বয়ে আনে বাতাস,
আমি জেগে ওঠি, স্মৃতির পাখনা মেলে,
তোমার চুলের গন্ধে মাতাল আকাশগঙ্গা;
আমার বুকে পড়ে চাঁদের শীতল আলো।
ধূলিমাটির এই পৃথিবীতে আছে যত পতঙ্গ,
তোমার সম্মানে ওরা নাকারা বাজায় কিংবা...
©somewhere in net ltd.