| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।
যেদিকে তাকাই শব্দরা ওড়ে
ছড়ার কণারা ঝাঁকে ঝাঁকে
পাহাড়ের খাঁজে আকাশে ভূ-তলে
মেঘ ও নদীর বাঁকে বাঁকে
আমাদের গাঁয়ে তোমার শহরে
বাগানে, বাড়ির ছাদটাতে
ছড়ারা বিষম কুসুম ফোটায়
চাঁদ ঝলমল রাতটাতে
ফসলের মাঠে ঢেউয়ের বাতাসে
পাখিদের গানে গাছে গাছে
লাঙল...
তালগাছে এক ষাঁড় উঠেছে
চিকন একটা মই বেয়ে
পাগলা খাঁসি খাচ্ছে খাবি
বিন্নি ধানের খই খেয়ে
বেজির সাথে লড়াই করে
বাঘটা ভীষণ হাঁপাচ্ছে
কানের ভেতর ডেঙ্গু মশা
সিংহটা তাই লাফাচ্ছে
মাকড়সাকে খামচি দিয়ে
পালাচ্ছিল টিকটিকি
আঁঠার জালে আটকে...
নাম ছিল তার দোস্তগীর
সে ছিল এক মস্ত বীর
থাকতো সে খুব ব্যস্ত
রোজ সকালে কুয়োর পানি
উঠোনে সে সেঁচতো
পান্তা খেয়ে সেই পানিতে
তিড়িংবিড়িং নাচতো
আর কী কী সে করতো
শুনলে তোমার চোখটা হবে
একটা ভীষণ গর্ত
সারা...
তখন আমার অল্প বয়স, কতই বা আর হবে
মা-চাচি আর খালা-ফুপুর কোল ছেড়েছি সবে
তখন আমি তোমার মতো ছোট্ট ছিলাম কী যে
গেরাম ভরে ঘুরে বেড়াই বাবার কাঁধে চড়ে
সকালবেলা বিছনাখানি থাকতো রোজই ভিজে
ওসব...
আমার অনেক দিনের ইচ্ছে, একজন ফেইসবুকার ও ব্লগারকে নিয়ে একটা গল্প লিখবো। সময়ের অভাবে গল্পটা লিখতে না পারলেও মনে মনে এর প্লট গুছিয়ে রেখেছি।
সে একজন মেয়ে হবে। অতএব, গল্পের...
আমার পিসি অন থাকা মানে অবিরাম গান বাজতে থাকা।
অহনার সাথে যখন খুব বেশি বেশি কথা হতো, দীর্ঘ সময় ধরে, মাঝে মাঝে সে বলতো, তোর কাছে কি তোর গানই বড়ো, নাকি...
দশ-এগার বছর বয়সের কালে মায়ের চোখে ধূলি দিয়ে দুই মহাধূরন্ধর বন্ধুর সাথে পদব্রজে বাড়ি থেকে তিন মাইল দূরবর্তী জয়পাড়া সিনেমা হলে গিয়ে জীবনের প্রথম ছায়াছবিটি দেখে রাত দশটার দিকে...
আমার সব ‘প্রথমে’র রেফারেন্স পয়েন্ট হলো ১৯৭১। তখন বয়স কত ছিল জানার উপায় নেই, কারণ কৃষকের ছেলের জন্মতারিখ লিখিত থাকে না, ধাইমার হাতে সে ভূমিষ্ঠ হয়; মা-চাচি-দাদি-নানিরা ঘোর বৃষ্টির দিনে,...
‘একদিন তো মরেই যাবা
মরার আগে কী কী খাবা?’
জানতে তুমি চাইছিলা।
বিশেষ বিশেষ সেই খাবার
লিস্টি করে দেই আবার
ছোট্টকালে তুমিও তা খাইছিলা।
আমায় তুমি পারবা দিতে
উস্তা ভাজি যা নয় তিতে?
পারবা দিতে পাকা মরিচ
যেগুলো হয়...
বিখ্যাত দার্শনিক ও মহান চিত্রকর দমুহ্মা ললিখ বলিয়াছেনঃ
בלוגרים עובדים עלבלוגים বা 博主為博客工作 যার অর্থ Bó zhǔ wèi bókè gōngzuò - Dhamuhama Lilikh
এই ভাবাদর্শে উদবুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের নায়করাজ রাজ্জাক ১৯৭৭ সালে...
ধাপারি খালের মুখে আড়িয়াল বিলে আমাদের একটুকরো বোরো জমি ছিল। একবার ধান কাটা শেষ হলে রোদ পড়ার পর আমি আর নীশু খেতের আইলে গিয়ে দাঁড়ালাম। অমনি কোথা থেকে উড়ে এলো...
পাখিদুটো মনের আনন্দে লনে ভ্রমণ করিতেছিল। তখনই আমার মেয়ে ওদের ছবি তুলে ফেলে।
কেউ তারে খুব ভালোবেসেছিল
ভালোবেসেছিল সেও
সেই ভালোবাসা খুন করেছিল
একদল সারমেয়
অমরাবতীর সেই ভালোবাসা
গতানুগতিক নয়
নিজেরে হারিয়ে পথে পথে আজ
খোঁজে তার পরিচয়
তোমাদের কাছে কোনোদিন যদি
নুরী পাগলিনী এসে
ভাত কেড়ে খেয়ে থালা ফেলে দিয়ে
ওঠে একগাল...
সে আমার দু বছরের বড় ছিল আর স্কুলে এক ক্লাস উপরে পড়তো। সে খুব মারকুটে ও ডানপিটে ছিল; আমি খুব গোবেচারা ছিলাম। আমাকে দু চোখে দেখতে পারতো না। সে পড়ালেখায়...
রাঁধে সে দারুণ, কাজেও নিপুণ
পরিপাটি ঘরদোর
যা কিছু হারায়, গিন্নি রটায়-
কাজের বুয়াই চোর
সেদিন গিন্নি কিনিয়া আনিল
বহু দামি এক শাড়ি
শ্যালিকা এসেই সেটা পরে নিয়ে
চলে গেলো তার বাড়ি
আরো নিয়ে গেলো ক’জোড়া জুতা
গিন্নি...
©somewhere in net ltd.