| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রানার ব্লগ
দূরে থাকুন তারা যারা ধর্মকে পুঁজি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। দূরে থাকুন তারা যারা ১৯৭১ থেকে অদ্যাবদি বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এবং সকল পাকিস্তানী প্রেমী , রাজাকার ও তাদের ছানাপোনা ।
তোমার চলে যাওয়ার পর
ঘরে আর আলো জ্বালাই না,
অন্ধকারে নিজের মতো করে
সবকিছু চিনে নেই।
জানো, আজ সকালে চা বানাতে গিয়ে দেখলাম
চিনি শেষ,
ভাবলাম ঠিক আছে,
মিষ্টি না থাকলেও চা হয়।
রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ
তোমার মতো...
তোমার গায়ের গোপন ঘ্রাণ
রাতের আঁধারে আহবান জানায়
অচেনা কোনো খাদের কিনারে
যেখানে দিকচিহ্ন হারিয়ে যায়,
বোধ ছুটে চলে কেবল অনুভবে।
ঠোঁটের কিনারে জমে থাকা নীরব আগুন
অল্প স্পর্শেই ভাষা হারায়,
শীতল শিশিরে যেমন
ভোরের আলোয় কেঁপে ওঠে
আমিও...
তোমরা যাদের মাথায় তুলেছো তারাই এখন হাসছে
তারাই এখন জলে কাদায় তোমার মুখই মাখছে।
যাদের হাতে ছিল রক্ত, যাদের চুক্তি ছিল লজ্জায়,
তাদের কাঁধে তুলে দিলে দেশ, আজ দেশটাই গেছে গোল্লায়।
যারা পতাকা...
নক্ষত্ররা ডুবে গেলে যখন রাত থমকে যায়,
তোমার কাঁধের কাছে জ্বলন্ত নক্ষত্র ছুঁয়ে দেখি,
তোমার পেলব নরম স্তনে,
হাত রাখলে কেমন এক বুনো আলো দৌড়ে ওঠে দেহে।
আমার ভেতরের নদীও তখন অতল শব্দ...
একদিন আমিও হারিয়ে যাবো,
যেমন হারায় বিকেলের রোদ্দুর সন্ধের ছায়ায়।
পথের ধুলায় মিশে যাবো,
শুধু গাছেরা মনে রাখবে অপেক্ষার গল্পটা।
তোমরা তখনও হাঁটবে নিজের মতো,
হাসবে, কথা বলবে, সকালের চায়ে চুমুক দেবে,
পত্রিকার পাতা উল্টিয়ে শুকবে...
শীৎকারিত প্রেমের অভাবে কাতর আমি,
জোৎস্নার কামনায় জেগে ওঠে বুকের তৃষ্ণা।
তোমার ঠোঁটের ঘায়ে লেগে থাকা আগুনের স্বাদ,
আর ভেজা সুবাসিত কেশের জলে তপ্ত শরীর।
রাত্রি আজ নদীর মতো, কাঁপে উজান ভাটায়,
অথচ তীরে এসে...
ছিল, হয়তো ছিল একসময়
যাদের সঙ্গে সন্ধ্যার আড্ডা ছিল
যাদের সঙ্গে চায়ের ভাড়ে চুমুক দিলেই নেশা হত,
তারা এখন নিজেদের জীবনের দৌড়ে লুকিয়ে গেছে
আমি শুধু একা দাঁড়িয়ে আছি
পুরোনো সেই টং এর...
আমি চাই,
আমি আর তুমি মিলে এক বিকেলের আলো হই,
যেখানে রোদের গায়ে লেগে থাকে মেঘের নরম ছোঁয়া,
যেখানে ভালোবাসা মানে শুধু মিষ্টি নয়, খানিকটা তিতকুটে।
একটু অভিমান, একটু নীরবতা,
যেমন চায়ের কাপে শেষ...
আজ সারাদিন অজান্তেই তোমায় খুঁজেছি,
চায়ের কাপের ধোঁয়ায়, জানালার আলোয়,
পাহাড়ের ছায়ায়, সমুদ্রের ফেনায়,
ভেজা ঘাসের গন্ধে,
যেখানে ছুঁয়েছি, মনে হয়েছে তুমি আছো,
চুপচাপ, ঠিক পাশে।
তুমি মানে শুধু তুমি না,
তুমি মানে একটা সময়,
একটা নিঃশব্দ অনুভূতি,
যেখানে...
আমার শহরে অসুখ বিক্রি হয়,
নানান রঙের, নানান ঢংয়ের অসুখ।
শুধু শরীরের নয়,
মনের, আত্মার, সমাজের।
এই শহরে সব ধরা করা হাসি,
ভেজাল মেশানো প্রেম,
ভালোবাসা নিলামে ওঠে,
টাকার বাটখারায় মানুষ মেপে।
অসুখের বাজারে,
হতাশা বিকোয় চড়া দামে
মিথ্যেগুলো বড্ড...
অপেক্ষার প্রহর গুনতে গুনতে একদিন ধুলা হবো
তারপরও কি তোমার মহাজাগতিক সময়ের সন্ধান পাবো?
তবে কি নক্ষত্রের রক্তে ভিজে জন্ম নেবো আবার?
না কি মহাকাশের নিরবতাই হয়ে উঠবে আমার গান?
তুমি হয়তো আলো ছড়াও
দূর...
বরষা আমায় একা করে চলে গেলো,
শূন্য মাঠে শুধুই কাদামাটির গন্ধ,
বাতাসে ভাসে ভেজা ঘাসের নিঃশ্বাস,
আর আমি দাঁড়িয়ে থাকি,
চোখে জমে থাকা সন্ধ্যা নিয়ে।
দূর নদীর স্রোতে ভেসে যায় কালো মেঘ,
বকের ডানায় লেগে...
কেমন আছো চারু?
তুমি কি এখনো ছাদের কার্নিশে দাঁড়িয়ে
চুল ঝাড়ো?
এখনো কি, তোমার ঘন চুলে অশান্ত যমুনার ঢেউ ওঠে,
এখনো কি, তোমার চোখে বৃষ্টির কণাগুলো
পড়তে পড়তে হারিয়ে যায়?
চারু জানো,
আজও হাঁসফাঁস লাগে শহরের গুমোট...
আজকাল আমার লেখা কবিতা গুলো আমার মতোই উদ্দেশ্য হীন ভাবে সমন্তরাল গতি তে চলছে। নেই কোন উত্তেজনা নেই কোন অসম্ভব প্রেমের গুঞ্জন, কেবলি হতাসা। কিবোর্ড এ আংগুল ছোয়াই...
আজ আমি কোথাও যাবো না।
এই ছায়াতলে কাটিয়ে দেব বেলা,
ঝরা পাতার নীরব মায়ায়।
দূরে বুনো পাখি ডাকে
সূর্য ঝিমোবে ধানক্ষেতের ছায়ায়,
তপ্ত ঘাসের আড়ালে।
শিউলির গন্ধমাখা হাওয়ায়
ডুবে যাবে উদাস আকাশ।
আজ আমি কোথাও যাবো না।
সন্ধ্যা...
©somewhere in net ltd.