| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রূপক বিধৌত সাধু
মন রে, কৃষিকাজ জানো না; এমন মানবজমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা! রামপ্রসাদ সেন ([email protected])
সুমাইয়া,
কেমন আছো তুমি? নিশ্চয়ই খুব ভালো? আমি মোটেই ভালো নেই। তোমার কথাই মনে পড়ে অহর্নিশ। যে কথা মুখে বলতে পারি না, সে কথাই লিখে যাই সঙ্গোপনে।
কাওসারকে কি তুমি চিনতে?...
ক্ষুধায় কাতর শিশু হাঁটছিলো পথে
একেলাই অানমনে, কোথায় ছিলেন?
একটি পয়সা শুধু চেয়েছিলো বলে
কুকুরের মত তারে তাড়িয়ে দিলেন?
একখানা সস্তা রুটি দিতে পারতেন,
পারতেন দিতে তারে কলা একখানা;
হয়তো জানেন না অাপনি তার পেটে
পড়ে...
জিন্নাহর মেয়ে দিনার জন্ম হয়েছিল ব্রিটেনে, তিনি সেখানকার স্কুলে যেতেন। এই দুই বালিকা জানতেন না, আধুনিক ধ্যান-ধারণা সবই চমৎকার, সেগুলো নিয়ে খৈ ফোটানো যায়, কিন্তু বিছানায় নেয়া যায় না। উভয়...
রৌদ্রে খাঁখাঁ করিতেছে গোরস্থান,
কা কা ডাকিতেছে দাঁড়কাক;
আর্তনাদে কাঁপিতেছে আসমান
সম্মুখে আসিতেছে বৈশাখ ।
চারিপাশে কা\'র হাঁক ডাক শুনি
সচকিত হই, পাতি কান;
ফিরি ফিরি খুঁজি সেই প্রতিধ্বনি
কেহ নাই; ভুল অনুমান ।
ঝড়িয়া পড়িছে শুকনা...
তখন গোধূলি লগ্ন! বন্ধু লুৎফরের সঙ্গে ময়মনসিংহ জংশন ধরিয়া হাঁটিতেছিল মৃণাল। গতকল্যই ময়মনসিংহ শহরে আসিয়াছে। শহরে আসিলে প্রায়ই সে জংশনে চলিয়া আসে। তাহার খুব পছন্দের জায়গাগুলির একটি এই “ময়মনসিংহ জংশন”।...
আবার কখনো যদি অামাদের দেখা
হয় কোনো এক রেলস্টেশনের ধারে,
হাজারো লোকের ভিড়ে তুমি কি অামায়
চিনতে পারবে সেই লোক-লোকারণ্যে?
মধ্য-বিরতিতে পপকর্ণ হাতে নিয়ে
ছুটছি যখন এক প্লাটফর্ম হতে
অন্য প্লাটফর্মে, অামার ব্যস্ততা দেখে
কী উচ্ছ্বাসে মিটিমিটি...
প্রেম বলিয়া কিচ্ছু তো নাই
সবই অনাসৃষ্টি,
তাই তো অামি ফিরাইয়াছি
ওইদিক হইতে দৃষ্টি!
ভুল করিয়াও পড়ি না অার
কোনো নারীর ফাঁদে,
অার কাঁদিতে পারিবো না
মনের অবসাদে ।
কাহার অাশায় পথ চাহিয়া
ফুরাই অামি বেলা,
অামার অনুভূতিকে যে
করে অবহেলা?
অামার...
সেদিন সন্ধ্যায় শাহবাগ থেকে বিআরটিসি বাসে ওঠেছি। মহাখালী নেমে ময়মনসিংহের বাসে ওঠবো। আমার বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকায়। কিছু পথ যাওয়ার পর শরীরটা হঠাৎ খারাপ করল। সারা দিনের হাঁটাহাঁটিতে অবসন্ন হয়ে পড়েছে।...
ছন্দঃ অক্ষরবৃত্ত (৮+৬=১৪ মাত্রা)
♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦♦
ভালো থাকুক অাকাশ, অাকাশের চাঁদ;
যার পানে চেয়ে অামি ভুলি অবসাদ ।
ভালো থাকুক পুকুর; পুকুরের ধার;
যেখানে বসেই কতো নিশি হলো পার!
ভালো থাকুক সেগুন গাছ, যার তলে
হাজারো ভাবনা এসে...
অাশা
মনে আমার ছিলো আশা
হয়ে মুক্ত যাযাবর,
মুগ্ধ হয়ে দেখবো নদী
বিল, ঝিল গ্রাম-গ্রামান্তর।
বাংলার রূপ আর সোনালি
ধানের মধুর খেলা,
দেখে কাটবে যে আহা
আমার সারাটা বেলা।
সবুজ ক্ষেতের চারিধারে
ডাকবে কতো পাখি,
সেথায় যে রাখবো আমার
রঙিন দুটি আঁখি।
কতো...
একুশ বসন্ত
একা একা কেটে গেলো একুশ বসন্ত,
কোনোদিন কেউ এসে নিলোনা খবর;
পলাশ-শিমুল ফুটে ঝরে গেলো কত
কামনার-বাসনার হলো যে কবর ।
কুকিল ডাকলো কত কুহুকুহু স্বরে,
একমনে তার পাণে রইলাম চেয়ে;
হেঁটে গেলাম সতত মেঠোপথ...
দীনহীন তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষে পড়িত। তাহার একখানি ‘কাব্যগ্রন্থ’ প্রকাশিত হইবে অমর একুশে গ্রন্থমেলায়, গ্রন্থটির নাম ‘জলছবি’। এই লইয়া সহপাঠীদের মধ্যে বেশ সাড়া লক্ষ্য করা যাইতেছিল। প্রতিটি শুভ উদ্যোগের পশ্চাতেই...
আমার স্মরণে থাকা সবচাইতে পুরোনো ঘটনাখানি লিখিতে বসিয়াছি। হুবহু অনেক কিছুই মনে নাই। তাই কিছুটা কল্পনার আশ্রয় লইতে হইয়াছে। তখন আমার বয়স পাঁচ কী ছয়!
একদা আমাদের বাড়িতে জনৈক মামা বেড়াইতে...
ও বন্ধু মরণ, ধরি তোমার চরণ;
এসো আমার দুয়ারে-
যাতনা স্মরণে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ
জীবনটা নাও কেড়ে!
দিবস-রজনী কেটে যায় ভেবে ভেবে
কৃতকর্ম, কতো কথা;
সর্বত্র বিভ্রান্তি দেখি, বেঁচে আছি; তবে
জানিনা যে সার্থকতা ।
মনে মনে অবিরত কতো...
অামার যদি থাকতো ডানা
প্রজাপতির মতো,
উড়ে যেতাম তোমার কাছে
ক্ষণে ক্ষণে কতো!
তোমার কালো চুলের ওপর
উড়ে বসতাম যখন,
অালতো করে ছুঁয়ে দিতে
অামায় তুমি তখন ।
তোমার নরম ছোঁয়া পেয়ে
শান্ত হতো হৃদয়,
চোখে চোখে কতো কথা,
হতো যে...
©somewhere in net ltd.